ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শাখা ছাত্রদল।
আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে শাখা ছাত্রদলের মিছিল অনুষদ ভবন থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনে শেষ হয়।
এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘বিচার চাই’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’-সহ নানা স্লোগান দেন।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা চাই সাজিদের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা রয়েছেন ক্যাম্পাসে। সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ জন্য নিরাপত্তা বাড়ানো, সিসি ক্যামেরা ও লাইটিং উন্নত করা প্রয়োজন।;
সাহেদ আহম্মেদ আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের ভাইদের বিরুদ্ধে যে অত্যাচার হয়েছে, তার বিচার চাই। আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
অপরদিকে একই দাবিতে দুপুরে প্রশাসন ভবনের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা খুনিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘৪০ দিন পেরিয়ে গেলেও খুনিরা ধরা পড়েনি। তারা মুক্ত আকাশে ঘুরছে, যা আমাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। আমাদের ভাইয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে আন্দোলন থামবে না। প্রয়োজনে আমরা ঢাকায় যমুনা পর্যন্ত যাব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব। যদি দ্রুত বিচার না হয়, আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দেব।’
গত ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভিসেরা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাজিদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছেন। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে সাজিদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে আসছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শাখা ছাত্রদল।
আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে শাখা ছাত্রদলের মিছিল অনুষদ ভবন থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনে শেষ হয়।
এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘বিচার চাই’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’-সহ নানা স্লোগান দেন।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা চাই সাজিদের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা রয়েছেন ক্যাম্পাসে। সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ জন্য নিরাপত্তা বাড়ানো, সিসি ক্যামেরা ও লাইটিং উন্নত করা প্রয়োজন।;
সাহেদ আহম্মেদ আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের ভাইদের বিরুদ্ধে যে অত্যাচার হয়েছে, তার বিচার চাই। আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
অপরদিকে একই দাবিতে দুপুরে প্রশাসন ভবনের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা খুনিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘৪০ দিন পেরিয়ে গেলেও খুনিরা ধরা পড়েনি। তারা মুক্ত আকাশে ঘুরছে, যা আমাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। আমাদের ভাইয়ের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে আন্দোলন থামবে না। প্রয়োজনে আমরা ঢাকায় যমুনা পর্যন্ত যাব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব। যদি দ্রুত বিচার না হয়, আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দেব।’
গত ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভিসেরা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাজিদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছেন। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে সাজিদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে আসছেন।

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৮ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪৩ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
৪৪ মিনিট আগে