ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় প্রতিপক্ষের হামলায় হাতুড়ি পেটায় আহত সেই কিশোর এখন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের বেডে। এই কিশোরের মাথা ব্যান্ডেজে মোড়ানো। সাদা ব্যান্ডেজের ওপর লেখা, ‘হাড় নাই, চাপ দেবেন না’। তার মাথার খুলির হাড় ভেঙে ৫ টুকরা হয়ে গেছে। গত রোববার রাতে অপারেশন করে হাড়ের টুকরোগুলো বের করা হয়। হাড়ের নিচে পাতলা পর্দাটিও ছিঁড়ে গেছে বলে জানান চিকিৎসক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই কিশোরের নাম সম্রাট (১৪)। সে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রায়টা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ও রায়টা নতুনপাড়া গ্রামের লালন হোসেনের ছেলে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় রায়টা স্কুল বাজারের নিকট সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয় ৪ কিশোর। এর মধ্যে সম্রাট (১৪) মাথায় মারাত্মক জখম নিয়ে ভর্তি হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অপর তিনজনকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
সম্রাটের বাবা লালন হোসেন বলেন, আমার ছেলের মাথার হাড় ভেঙে পাঁচ টুকরো হয়ে গেছে। সে আর আগের মত সবকিছু করতে পারবে না। সে বাঁচবে কিনা তাও জানি না বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
সম্রাটের চাচা আলম মোবাইলে আজকের পত্রিকাকে জানান, অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন আঘাত খুব বেশি ছিল। তার মস্তিষ্কে এবং মাথার হাড়ে মারাত্মক আঘাতে হাড় পাঁচ টুকরো হয়ে গেছে। অপারেশন করে মাথার হাড়ের টুকরো বের করা হয়েছে। হাড়ের নিচে যে পর্দা থাকে সেটিও ছিঁড়ে গেছে। সেখানে কৃত্রিম পর্দা লাগানো হয়েছে। মাথায় ওই স্থানে হাড় ছাড়াই থাকবে। হাড় ভাঙা স্থানে সাবধানে রাখতে হবে।
আলম বলেন, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন সম্রাটের বয়স যেহেতু কম তার মাথার খুলির হাড় বেড়ে ভাঙা জায়গাটা ধীরে ধীরে পূরণ হয়ে যাবে। তবে এ ক্ষত সেরে উঠতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। সে খেলাধুলা ও ভারী কাজ করতে পারবে না বলে চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি জানান।
সোমবার রাতে আহত রতনের বাবা মাহাবুল হক বাদী হয়ে ১০ জন নামের ও অজ্ঞাত আরও ৭ / ৮ জনকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা করেছেন।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তবে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় আহত কিশোরেরা তাদের এক বন্ধুকে ডাক্তার দেখাতে ভ্যানে করে রায়টা বাজারে নিয়ে যাচ্ছিল। পথের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ হাতুড়ি ও লোহার পাইপ নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটিয়ে সম্রাট (১৪), সাদ্দাম (১৫), রাহান (১৫) ও রতনকে (১৪) আহত করে। এদের মধ্যে সম্রাটের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন, মো. জীবন (১৮), নয়ন (১৮), জাহান (৫২), সাহাবুল (৪৫), মাহফুজ (১৮), বুলবুল (৩২), আমির (৪০), ফারুক (২১), মামুন (৩৫) ও রুদ্র (২৩)। বাকিরা অজ্ঞাতনামা।

কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় প্রতিপক্ষের হামলায় হাতুড়ি পেটায় আহত সেই কিশোর এখন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের বেডে। এই কিশোরের মাথা ব্যান্ডেজে মোড়ানো। সাদা ব্যান্ডেজের ওপর লেখা, ‘হাড় নাই, চাপ দেবেন না’। তার মাথার খুলির হাড় ভেঙে ৫ টুকরা হয়ে গেছে। গত রোববার রাতে অপারেশন করে হাড়ের টুকরোগুলো বের করা হয়। হাড়ের নিচে পাতলা পর্দাটিও ছিঁড়ে গেছে বলে জানান চিকিৎসক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই কিশোরের নাম সম্রাট (১৪)। সে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রায়টা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ও রায়টা নতুনপাড়া গ্রামের লালন হোসেনের ছেলে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় রায়টা স্কুল বাজারের নিকট সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয় ৪ কিশোর। এর মধ্যে সম্রাট (১৪) মাথায় মারাত্মক জখম নিয়ে ভর্তি হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অপর তিনজনকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
সম্রাটের বাবা লালন হোসেন বলেন, আমার ছেলের মাথার হাড় ভেঙে পাঁচ টুকরো হয়ে গেছে। সে আর আগের মত সবকিছু করতে পারবে না। সে বাঁচবে কিনা তাও জানি না বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
সম্রাটের চাচা আলম মোবাইলে আজকের পত্রিকাকে জানান, অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন আঘাত খুব বেশি ছিল। তার মস্তিষ্কে এবং মাথার হাড়ে মারাত্মক আঘাতে হাড় পাঁচ টুকরো হয়ে গেছে। অপারেশন করে মাথার হাড়ের টুকরো বের করা হয়েছে। হাড়ের নিচে যে পর্দা থাকে সেটিও ছিঁড়ে গেছে। সেখানে কৃত্রিম পর্দা লাগানো হয়েছে। মাথায় ওই স্থানে হাড় ছাড়াই থাকবে। হাড় ভাঙা স্থানে সাবধানে রাখতে হবে।
আলম বলেন, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন সম্রাটের বয়স যেহেতু কম তার মাথার খুলির হাড় বেড়ে ভাঙা জায়গাটা ধীরে ধীরে পূরণ হয়ে যাবে। তবে এ ক্ষত সেরে উঠতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। সে খেলাধুলা ও ভারী কাজ করতে পারবে না বলে চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি জানান।
সোমবার রাতে আহত রতনের বাবা মাহাবুল হক বাদী হয়ে ১০ জন নামের ও অজ্ঞাত আরও ৭ / ৮ জনকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা করেছেন।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তবে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় আহত কিশোরেরা তাদের এক বন্ধুকে ডাক্তার দেখাতে ভ্যানে করে রায়টা বাজারে নিয়ে যাচ্ছিল। পথের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ হাতুড়ি ও লোহার পাইপ নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটিয়ে সম্রাট (১৪), সাদ্দাম (১৫), রাহান (১৫) ও রতনকে (১৪) আহত করে। এদের মধ্যে সম্রাটের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন, মো. জীবন (১৮), নয়ন (১৮), জাহান (৫২), সাহাবুল (৪৫), মাহফুজ (১৮), বুলবুল (৩২), আমির (৪০), ফারুক (২১), মামুন (৩৫) ও রুদ্র (২৩)। বাকিরা অজ্ঞাতনামা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে