ইবি প্রতিনিধি

সমকামিতার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটের ২৬৭তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিষয়টি পুনরায় তদন্তের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে সিন্ডিকেটের ২৬৮তম সভার ৭ নম্বর সিদ্ধান্ত মোতাবেক পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী তদন্তের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির চরম পরিপন্থী।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৪ (১) (F) ধারা মোতাবেক তাকে ৩১ মে থেকে চাকরি হতে অপসারণ করা হলো।
এর আগে সমকামিতা, শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ৭ অক্টোবর হাফিজুল ইসলামের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে উপাচার্যের কাছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্তত ২৭টি অভিযোগ তুলে ধরেন এবং মৌখিকভাবে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তাঁকে অপসারণের দাবি জানান।
পরে অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬৬তম সভায় বাৎসরিক একটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয় এবং তাঁকে এক বছরের বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান করা হয়। তবে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামেন। পরে প্রশাসন বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে হাফিজকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও খবর পড়ুন:

সমকামিতার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটের ২৬৭তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিষয়টি পুনরায় তদন্তের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে সিন্ডিকেটের ২৬৮তম সভার ৭ নম্বর সিদ্ধান্ত মোতাবেক পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী তদন্তের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির চরম পরিপন্থী।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধির ৪ (১) (F) ধারা মোতাবেক তাকে ৩১ মে থেকে চাকরি হতে অপসারণ করা হলো।
এর আগে সমকামিতা, শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ৭ অক্টোবর হাফিজুল ইসলামের বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে উপাচার্যের কাছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্তত ২৭টি অভিযোগ তুলে ধরেন এবং মৌখিকভাবে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তাঁকে অপসারণের দাবি জানান।
পরে অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬৬তম সভায় বাৎসরিক একটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয় এবং তাঁকে এক বছরের বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান করা হয়। তবে বিভাগের শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামেন। পরে প্রশাসন বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে হাফিজকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও খবর পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে