দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বাসা থেকে নিখোঁজ শিশু বিজয় হোসেনের দুই দিনেও সন্ধান মেলেনি। শিশুটির মায়ের অভিযোগ, গত শুক্রবার দুপুরে এক মাস বয়সি বিজয়কে প্রতিবেশী সেজে এক নারী বাসা থেকে নিয়ে পালিয়ে যান। তবে আজ রোববার সকাল পর্যন্ত শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
জানা গেছে, উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি এলাকার পাকুড়িয়া গ্রামের বাবু ও সোনিয়া দম্পতির সন্তান বিজয় হোসেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাসা থেকে শিশুটি চুরি হয় বলে ওই দিন বিকেলে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে পুলিশ।
শিশুটিকে উদ্ধারের দায়িত্বে থাকা দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাদশা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত শিশুটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।’
পুলিশ ও শিশুর পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজয়কে ঘরের বারান্দায় শুইয়ে রেখে তার মা সোনিয়া খাতুন গোসল করতে যান। এ সময় প্রতিবেশী সেজে একজন নারী এসে শিশুটিকে আদর করার কথা বলে নিয়ে যান। পরে শিশুটির আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
শিশুর বাবা বাবু হোসেন বলেন, খেতের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে দেখি বাসায় বাচ্চা নেই। প্রতিবেশী সেজে এক নারী এসে বাচ্চাকে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও বাচ্চাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
নিখোঁজ শিশুর মা সোনিয়া খাতুন বলেন, বাচ্চার গোসল ও খাওয়ানো শেষ করে বারান্দায় শুইয়ে রেখে বাড়ির টিউবওয়েলে গোসল করছিলাম। এ সময় প্রতিবেশী সেজে এক নারী এসে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আদর করতে করতে বাড়ির বাইরে নিয়ে যান। পরে তিনি আর ফেরত আসেননি।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাচ্চাটি উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। শিশুটির বাবা বাবু হোসেনের দুজন স্ত্রী। পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি শিগগির শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হব।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বাসা থেকে নিখোঁজ শিশু বিজয় হোসেনের দুই দিনেও সন্ধান মেলেনি। শিশুটির মায়ের অভিযোগ, গত শুক্রবার দুপুরে এক মাস বয়সি বিজয়কে প্রতিবেশী সেজে এক নারী বাসা থেকে নিয়ে পালিয়ে যান। তবে আজ রোববার সকাল পর্যন্ত শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
জানা গেছে, উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি এলাকার পাকুড়িয়া গ্রামের বাবু ও সোনিয়া দম্পতির সন্তান বিজয় হোসেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাসা থেকে শিশুটি চুরি হয় বলে ওই দিন বিকেলে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে পুলিশ।
শিশুটিকে উদ্ধারের দায়িত্বে থাকা দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাদশা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত শিশুটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।’
পুলিশ ও শিশুর পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজয়কে ঘরের বারান্দায় শুইয়ে রেখে তার মা সোনিয়া খাতুন গোসল করতে যান। এ সময় প্রতিবেশী সেজে একজন নারী এসে শিশুটিকে আদর করার কথা বলে নিয়ে যান। পরে শিশুটির আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
শিশুর বাবা বাবু হোসেন বলেন, খেতের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে দেখি বাসায় বাচ্চা নেই। প্রতিবেশী সেজে এক নারী এসে বাচ্চাকে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও বাচ্চাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
নিখোঁজ শিশুর মা সোনিয়া খাতুন বলেন, বাচ্চার গোসল ও খাওয়ানো শেষ করে বারান্দায় শুইয়ে রেখে বাড়ির টিউবওয়েলে গোসল করছিলাম। এ সময় প্রতিবেশী সেজে এক নারী এসে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আদর করতে করতে বাড়ির বাইরে নিয়ে যান। পরে তিনি আর ফেরত আসেননি।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাচ্চাটি উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। শিশুটির বাবা বাবু হোসেনের দুজন স্ত্রী। পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি শিগগির শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হব।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে