কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে মাদক সেবনের দায়ে বাবা ও ছেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রোববার দুপুরে জেলা সদরের পৌর এলাকার চামড়ার গোলা নয়াগ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাঁদের জরিমানাও করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম কার্যালয়ের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত দুজন হলেন মো. ইসলাম (৫৭) ও তাঁর ছেলে হৃদয় খান (২৭)। ইসলামকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং হৃদয়কে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া বাবা-ছেলে উভয়কে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সাজাপ্রাপ্ত ইসলাম ও তাঁর ছেলে হৃদয় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছেন। ইসলাম নিয়মিত হেরোইন সেবন করে বাড়িতে জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। মাদকের টাকার জোগান দিতে তিনি পরিবারের আসবাবপত্রও বিক্রি করেন। বাবা-ছেলের মাদকাসক্তির কারণে পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকে। এর আগে দুজনই মাদক মামলায় কারাভোগ করেছেন। আজ রোববার বাড়িতে বসে মাদক সেবনের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দল। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁদের সাজা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুসফিকুল আলম হালিম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সাজাপ্রাপ্তদের মাদকাসক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাঁদের কাছে দশমিক এক গ্রাম গলানো হেরোইন পাওয়া গেছে। সাজা ঘোষণার পর বাবা-ছেলেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে মাদক সেবনের দায়ে বাবা ও ছেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রোববার দুপুরে জেলা সদরের পৌর এলাকার চামড়ার গোলা নয়াগ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাঁদের জরিমানাও করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম কার্যালয়ের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত দুজন হলেন মো. ইসলাম (৫৭) ও তাঁর ছেলে হৃদয় খান (২৭)। ইসলামকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং হৃদয়কে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া বাবা-ছেলে উভয়কে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সাজাপ্রাপ্ত ইসলাম ও তাঁর ছেলে হৃদয় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছেন। ইসলাম নিয়মিত হেরোইন সেবন করে বাড়িতে জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। মাদকের টাকার জোগান দিতে তিনি পরিবারের আসবাবপত্রও বিক্রি করেন। বাবা-ছেলের মাদকাসক্তির কারণে পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকে। এর আগে দুজনই মাদক মামলায় কারাভোগ করেছেন। আজ রোববার বাড়িতে বসে মাদক সেবনের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দল। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁদের সাজা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুসফিকুল আলম হালিম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সাজাপ্রাপ্তদের মাদকাসক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাঁদের কাছে দশমিক এক গ্রাম গলানো হেরোইন পাওয়া গেছে। সাজা ঘোষণার পর বাবা-ছেলেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪০ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে