কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

পুলিশের হাতে জব্দ ট্রাকভর্তি বিনা মূল্যে বিতরণের মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯ হাজার সরকারি বই চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে। আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা শহরে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি হয়। কর্মসূচি থেকে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘রৌমারীর বই শেরপুরে কেন? প্রশাসন কী করে? অবিলম্বে বই চোরদের গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ বই চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
এ সময় বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রৌমারী শাখার সমন্বয়ক সাজেদুল ইসলাম সবুজ, আমীর হামজা, রিয়াজুল ইসলাম, শাহীন বাগী, শামীম আহম্মেদ প্রমুখ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রৌমারী শাখার সমন্বয়ক সাজেদুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘এতগুলো বই চুরির সঙ্গে শুধুমাত্র অফিসের পিয়ন জড়িত থাকতে পারে না। এর সঙ্গে অন্য কর্মকর্তারাও জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। চুনোপুঁটি ধরলে হবে না। রাঘব বোয়ালদের ধরে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
জড়িত সবাইকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় ও থানা ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
গত বুধবার (২২ জানুয়ারি) রাতে শেরপুর সদর উপজেলায় বইভর্তি একটি ট্রাক জব্দ করে পুলিশ। যেখানে সরকারিভাবে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত মাধ্যমিক পর্যায়ের ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ৯ হাজার সরকারি বই পাওয়া গেছে বলে জানায় শেরপুর সদর থানা-পুলিশ। বইগুলো কুড়িগ্রামের রৌমারী সিজি জামান সরকারি উচ্চবিদ্যালয় চত্বর থেকে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিক তথ্যের বরাতে জানায় শেরপুর থানা–পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রাক চালক সজল মিয়া এবং বইয়ের সঙ্গে থাকা মাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে শেরপুর থানা-পুলিশ। মাহিদুলের বাড়ি রৌমারী উপজেলায়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রৌমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরকারি বই পাচার, অর্থ আত্মসাৎসহ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে বই পাচারের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে রৌমারী উপজেলা প্রশাসন। কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা প্রশাসনকে জমা দিয়েছে। কমিটি প্রাথমিক তদন্তে স্টোররুমে বই ঘাটতির সত্যতা পেয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বই রাখার স্টোর রুম সিলগালা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুল আলম বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে রয়েছে। তবে আমি বই ঘাটতির বিষয়টি জানতে পেরেছি। তাতে মনে হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বইগুলো রৌমারী থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।’

পুলিশের হাতে জব্দ ট্রাকভর্তি বিনা মূল্যে বিতরণের মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯ হাজার সরকারি বই চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে। আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা শহরে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি হয়। কর্মসূচি থেকে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘রৌমারীর বই শেরপুরে কেন? প্রশাসন কী করে? অবিলম্বে বই চোরদের গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ বই চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
এ সময় বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রৌমারী শাখার সমন্বয়ক সাজেদুল ইসলাম সবুজ, আমীর হামজা, রিয়াজুল ইসলাম, শাহীন বাগী, শামীম আহম্মেদ প্রমুখ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রৌমারী শাখার সমন্বয়ক সাজেদুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘এতগুলো বই চুরির সঙ্গে শুধুমাত্র অফিসের পিয়ন জড়িত থাকতে পারে না। এর সঙ্গে অন্য কর্মকর্তারাও জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। চুনোপুঁটি ধরলে হবে না। রাঘব বোয়ালদের ধরে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
জড়িত সবাইকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় ও থানা ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
গত বুধবার (২২ জানুয়ারি) রাতে শেরপুর সদর উপজেলায় বইভর্তি একটি ট্রাক জব্দ করে পুলিশ। যেখানে সরকারিভাবে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত মাধ্যমিক পর্যায়ের ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ৯ হাজার সরকারি বই পাওয়া গেছে বলে জানায় শেরপুর সদর থানা-পুলিশ। বইগুলো কুড়িগ্রামের রৌমারী সিজি জামান সরকারি উচ্চবিদ্যালয় চত্বর থেকে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রাথমিক তথ্যের বরাতে জানায় শেরপুর থানা–পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ট্রাক চালক সজল মিয়া এবং বইয়ের সঙ্গে থাকা মাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে শেরপুর থানা-পুলিশ। মাহিদুলের বাড়ি রৌমারী উপজেলায়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রৌমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরকারি বই পাচার, অর্থ আত্মসাৎসহ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে বই পাচারের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে রৌমারী উপজেলা প্রশাসন। কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা প্রশাসনকে জমা দিয়েছে। কমিটি প্রাথমিক তদন্তে স্টোররুমে বই ঘাটতির সত্যতা পেয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বই রাখার স্টোর রুম সিলগালা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুল আলম বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে রয়েছে। তবে আমি বই ঘাটতির বিষয়টি জানতে পেরেছি। তাতে মনে হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বইগুলো রৌমারী থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।’

পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিস্ফোরক মামলায় স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্বরূপকাঠি পৌর যুবলীগের সভাপতি শিশির কর্মকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরে নেছারাবাদ উপজেলার পান হাটখোলা এলাকার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে নেছারাবাদ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
১২ মিনিট আগে
শীত এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠা-পায়েসের আয়োজন। পিঠা তৈরির অন্যতম সহায়ক হলো গুড়। অনেকে চিনি দিয়েও তৈরি করে থাকে। তবে এই নাশতাকে সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু করে তোলে খেজুর রসের গুড়।
১ ঘণ্টা আগে
দোতালা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে বসে রয়েছেন ফার্মাসিস্ট মোল্লা মনিরুজ্জামান। তাঁর কাছেই বিভিন্ন বয়সী রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে। উপসর্গ শুনে রোগীদের জন্য নিজেই ওষুধ লিখে দিচ্ছেন মনিরুজ্জামান।
১ ঘণ্টা আগে
কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে