
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার হাওরে সেচ প্রকল্পের ড্রেনে মতি মিয়া (৬০) নামের একজনের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া গেছে। মতি মিয়া জেলার মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের ধোবাজোড়া-শিয়ারা গ্রামের তুতি মিয়ার ছেলে। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের দুর্গাপুর চরের কান্দা সেচ ড্রেন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের কৃষকেরা জমিতে কাজে যাওয়ার পথে হঠাৎ হাওরে সেচ দুর্গাপুর চরের কান্দা সেচ ড্রেনে রক্তাক্ত অজ্ঞাত ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন। মিঠামইন থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, মতি মিয়া সাত দিন ধরে মিঠামইন হিমজুরী নদীতে হাওর রক্ষা উন্নয়ন বাঁধ নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইয়াকুব মিয়ার এক্সকাভেটরের পাহারাদার হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার রাতে এক্সকাভেটর পাহারা দিতে বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলে আসেন। তারপর আর বাড়ি ফেরেননি।
এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, মৃত ব্যক্তির সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতপূর্বক ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। পুলিশি নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহাসড়কের ওপর একটি খালি ট্রাক ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় ঢাকাগামী আলুবোঝাই আরেকটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয়। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস এসে ট্রাকটিকে ধাক্কা দিলে মুহূর্তেই ত্রিমুখী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
৩৪ মিনিট আগে
ফাল্গুন-চৈত্র এলেই যেন আগুনের ঋতু নেমে আসে গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের অধীনে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিস্তীর্ণ সবুজে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে রহস্যময় আগুনে। প্রতিবছর গ্রাস করে শত শত একর বনভূমি। পুড়ে ছাই হয় শুধু গাছপালা নয়, হারিয়ে যায় বন্য প্রাণী...
৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের অঞ্চলগুলোতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে ফেরার পথে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। অভিযোগ উঠেছে, গণপরিবহন ও জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে একশ্রেণির পরিবহনশ্রমিক ও সিন্ডিকেট যাত্রীদের...
৬ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে হত্যা, হামলা ও সহিংসতার অভিযোগে আদালতে করা মামলাগুলোতে আসামি করা ব্যক্তিদের বড় অংশই তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত তদন্ত শেষ হওয়া ৮২টি মামলার প্রায় ৬৩ শতাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
৬ ঘণ্টা আগে