বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগামী ১১ নভেম্বর। গতকাল মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে শেষ দিন। উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী নেই। তাই ভোটের আগেই বিনা ভোটে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে বৈধ প্রার্থী ৩৭ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন সাতজন। তিনটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী একজন করে।
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বৈধ প্রার্থী ১২৪ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন চারজন।
সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৩৭০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে বৈধ প্রার্থী ৩৬৫ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন ২৪ জন। আটটি ওয়ার্ডে একজন করে প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার হওয়ার পথে রয়েছেন তাঁরা। এ ছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পথে হালিমপুর ইউনিয়নে উমর ফারুক রাসেল, বলিয়ার্দী ইউনিয়নে মো. আবুল কাশেম, মাইজচর ইউনিয়নে তাবারক মিয়া ও রাসেল। গত ইউপি নির্বাচনে কাশেম পরাজিত এবং তাবারক মিয়া নির্বাচনে মেম্বার হন।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পথে হালিমপুর ইউনিয়নে উমর ফারুক রাসেল স্থানীয় সাংসদের শ্যালক আর বলিয়ার্দী ইউনিয়নে মো. আবুল কাশেম স্থানীয় সাংসদের ভাগনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, `এমন নির্বাচন বাপের জন্মে দেখি নাই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনজন চেয়ারম্যান, এটা কি নির্বাচন না সিলেকশন?'
এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খন্দকার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামী ১১ নভেম্বর নির্বাচনের দিন থাকলেও হালিমপুর, বলিয়ার্দী ও মাইজচর ইউনিয়নে একক প্রার্থী হওয়ায় বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার পথে তাঁরা। এ ছাড়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার পথে আরও আটজন মেম্বার প্রার্থী রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগামী ১১ নভেম্বর। গতকাল মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে শেষ দিন। উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী নেই। তাই ভোটের আগেই বিনা ভোটে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে বৈধ প্রার্থী ৩৭ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন সাতজন। তিনটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী একজন করে।
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বৈধ প্রার্থী ১২৪ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন চারজন।
সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৩৭০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে বৈধ প্রার্থী ৩৬৫ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন ২৪ জন। আটটি ওয়ার্ডে একজন করে প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার হওয়ার পথে রয়েছেন তাঁরা। এ ছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পথে হালিমপুর ইউনিয়নে উমর ফারুক রাসেল, বলিয়ার্দী ইউনিয়নে মো. আবুল কাশেম, মাইজচর ইউনিয়নে তাবারক মিয়া ও রাসেল। গত ইউপি নির্বাচনে কাশেম পরাজিত এবং তাবারক মিয়া নির্বাচনে মেম্বার হন।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার পথে হালিমপুর ইউনিয়নে উমর ফারুক রাসেল স্থানীয় সাংসদের শ্যালক আর বলিয়ার্দী ইউনিয়নে মো. আবুল কাশেম স্থানীয় সাংসদের ভাগনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, `এমন নির্বাচন বাপের জন্মে দেখি নাই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনজন চেয়ারম্যান, এটা কি নির্বাচন না সিলেকশন?'
এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খন্দকার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামী ১১ নভেম্বর নির্বাচনের দিন থাকলেও হালিমপুর, বলিয়ার্দী ও মাইজচর ইউনিয়নে একক প্রার্থী হওয়ায় বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার পথে তাঁরা। এ ছাড়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার পথে আরও আটজন মেম্বার প্রার্থী রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে