কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

অংশীদারীর ভিত্তিতে যাত্রীবাহী ট্রলার ব্যবসার মালিকানা পুনরুদ্ধার ও পাওনা টাকা ফেরৎ চাওয়ায় দুই ছেলেকে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কবির উদ্দিন আহমেদ।
আজ শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা শহরের হোটেল শেরাটনের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এর প্রতিকার দাবি করেন। এই প্রবীণ নেতা মহান মুক্তিযুদ্ধে কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন ও জেলাকে পাক-হানাহার মুক্ত করতে নেতৃত্ব দেন।
তিনি লিখিত বক্তৃতায় এই বীর মুক্তিযোদ্ধা জানান, তাঁর দুই ছেলে মোসাব্বির হোসেন সাদ্দাম ও তাওসিফ কবির সায়েমের ইঞ্জিনচালিত ৮টি যাত্রীবাহী ট্রলারের শতকরা ৫০ ভাগ মালিকানা রয়েছে। অংশীদারদের মাধ্যমে করিমগঞ্জ উপজেলার চামড়া বন্দর থেকে ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি রুটে এসব ইঞ্জিনচালিত ট্রলার যাত্রী পরিবহন করে। অংশীদার হিসেবে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এসব ট্রলারের লভ্যাংশের টাকা ঠিকভাবে পেয়ে আসছিলেন সাদ্দাম ও সায়েম। এরপরই শুরু হয় রাজনৈতিক খেলা।
কবির উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের তৎকালীন এমপি জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের বড় ছেলে পাশের কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের তৎকালীন এমপি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের প্রভাব ও নির্দেশে অন্য অংশীদাররা সাদ্দাম ও সায়েমকে মালিকানার অংশ বিক্রি করে দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। তাতে রাজি না হওয়ায় ২০১৬ সালে সাদ্দাম ও সায়েমকে দৈনিক লভ্যাংশের টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয় অন্য অংশীদাররা।
গত ৮ বছর এসব ট্রলারের মালিকানা কিংবা দৈনিক লভ্যাংশ কিছুই আর পাননি সাদ্দাম ও সায়েম। এরই মধ্যে একটি ট্রলারের রং ও নামও পরিবর্তন করা হয়। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ট্রলারগুলোর মালিকানা ও লভ্যাংশের পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য উদ্যোগী হন তাঁরা। এর অংশ হিসেবে গত ১৯ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নম্বর-৬ এ তাওসিফ কবির সায়েম বাদী হয়ে একটি ট্রলারের রং ও নাম পরিবর্তন করে মালিক বনে যাওয়া কৃষক লীগ নেতা আইজু রহমান আইজু এবং তাঁর দুই ছেলে মোশারফ ও মহসিনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে করিমগঞ্জ থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এমন পরিস্থিতিতে পাওনা টাকা ফেরৎ না দেওয়ার উদ্দেশ্য থেকে বিএনপির ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা মুজিবুল হক চুন্নু ও আওয়ামী দালালদের মদদে অংশীদারদের পক্ষ থেকে নূরুজ্জামান বাদী হয়ে সাদ্দাম ও সায়েমের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ দেন। এ প্রেক্ষিতে গত ১৩ই অক্টোবর নিয়ামতপুর বাজারের ব্যবসায়িক চেম্বার থেকে সাদ্দামকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল আটক করে নিয়ে যায়। পরদিন ১৪ই অক্টোবর করিমগঞ্জ থানায় সাদ্দাম ও সায়েমের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় সাদ্দাম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা কবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম সুমন করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি এবং জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাঁর জনপ্রিয়তায় একটি মহল ঈর্ষান্বিত। জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর দ্বারা আমার ছেলেরাসহ আমি রাজনৈতিকভাবে বিগত সময়ে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের পরিবারের রাজনৈতিক সুনাম বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে চুন্নুর মদদপুষ্ট বিএনপির কতিপয় নেতা-কর্মীর প্ররোচণায় আমার দুই ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা এই চাঁদাবাজি মামলা দায়েরের মাধ্যমে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে আমি এর সুবিচার প্রার্থনা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান ভূঞা, করিমগঞ্জের বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং কবির উদ্দিন আহমেদের ছোট ছেলে প্রকৌশলী শাকিল আহমেদ নাদভী উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামলার বাদী নুরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সাবেক এমপি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে জাপা মহাসচিব ও কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সাবেক এমপি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানি না।’

অংশীদারীর ভিত্তিতে যাত্রীবাহী ট্রলার ব্যবসার মালিকানা পুনরুদ্ধার ও পাওনা টাকা ফেরৎ চাওয়ায় দুই ছেলেকে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কবির উদ্দিন আহমেদ।
আজ শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা শহরের হোটেল শেরাটনের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এর প্রতিকার দাবি করেন। এই প্রবীণ নেতা মহান মুক্তিযুদ্ধে কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন ও জেলাকে পাক-হানাহার মুক্ত করতে নেতৃত্ব দেন।
তিনি লিখিত বক্তৃতায় এই বীর মুক্তিযোদ্ধা জানান, তাঁর দুই ছেলে মোসাব্বির হোসেন সাদ্দাম ও তাওসিফ কবির সায়েমের ইঞ্জিনচালিত ৮টি যাত্রীবাহী ট্রলারের শতকরা ৫০ ভাগ মালিকানা রয়েছে। অংশীদারদের মাধ্যমে করিমগঞ্জ উপজেলার চামড়া বন্দর থেকে ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি রুটে এসব ইঞ্জিনচালিত ট্রলার যাত্রী পরিবহন করে। অংশীদার হিসেবে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এসব ট্রলারের লভ্যাংশের টাকা ঠিকভাবে পেয়ে আসছিলেন সাদ্দাম ও সায়েম। এরপরই শুরু হয় রাজনৈতিক খেলা।
কবির উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের তৎকালীন এমপি জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের বড় ছেলে পাশের কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের তৎকালীন এমপি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের প্রভাব ও নির্দেশে অন্য অংশীদাররা সাদ্দাম ও সায়েমকে মালিকানার অংশ বিক্রি করে দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। তাতে রাজি না হওয়ায় ২০১৬ সালে সাদ্দাম ও সায়েমকে দৈনিক লভ্যাংশের টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয় অন্য অংশীদাররা।
গত ৮ বছর এসব ট্রলারের মালিকানা কিংবা দৈনিক লভ্যাংশ কিছুই আর পাননি সাদ্দাম ও সায়েম। এরই মধ্যে একটি ট্রলারের রং ও নামও পরিবর্তন করা হয়। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ট্রলারগুলোর মালিকানা ও লভ্যাংশের পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য উদ্যোগী হন তাঁরা। এর অংশ হিসেবে গত ১৯ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নম্বর-৬ এ তাওসিফ কবির সায়েম বাদী হয়ে একটি ট্রলারের রং ও নাম পরিবর্তন করে মালিক বনে যাওয়া কৃষক লীগ নেতা আইজু রহমান আইজু এবং তাঁর দুই ছেলে মোশারফ ও মহসিনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে করিমগঞ্জ থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এমন পরিস্থিতিতে পাওনা টাকা ফেরৎ না দেওয়ার উদ্দেশ্য থেকে বিএনপির ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা মুজিবুল হক চুন্নু ও আওয়ামী দালালদের মদদে অংশীদারদের পক্ষ থেকে নূরুজ্জামান বাদী হয়ে সাদ্দাম ও সায়েমের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ দেন। এ প্রেক্ষিতে গত ১৩ই অক্টোবর নিয়ামতপুর বাজারের ব্যবসায়িক চেম্বার থেকে সাদ্দামকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল আটক করে নিয়ে যায়। পরদিন ১৪ই অক্টোবর করিমগঞ্জ থানায় সাদ্দাম ও সায়েমের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় সাদ্দাম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা কবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম সুমন করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি এবং জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাঁর জনপ্রিয়তায় একটি মহল ঈর্ষান্বিত। জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর দ্বারা আমার ছেলেরাসহ আমি রাজনৈতিকভাবে বিগত সময়ে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের পরিবারের রাজনৈতিক সুনাম বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে চুন্নুর মদদপুষ্ট বিএনপির কতিপয় নেতা-কর্মীর প্ররোচণায় আমার দুই ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা এই চাঁদাবাজি মামলা দায়েরের মাধ্যমে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে আমি এর সুবিচার প্রার্থনা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান ভূঞা, করিমগঞ্জের বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং কবির উদ্দিন আহমেদের ছোট ছেলে প্রকৌশলী শাকিল আহমেদ নাদভী উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামলার বাদী নুরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সাবেক এমপি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে জাপা মহাসচিব ও কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সাবেক এমপি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানি না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে