পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পানিতে ফুটবল খেলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার হরশী বরবাড়ির একটি পুকুরে এই খেলা হয়। অনলাইনভিত্তিক জনপ্রিয় প্ল্যাটফরম ভয়েস অব পাকুন্দিয়া এই খেলার আয়োজন করে।
খেলায় চাচা-ভাতিজা দল অংশ নেয়। উত্তেজনাপূর্ণ ৪০ মিনিটের এই খেলায় ৫-০ গোলে চাচাদের হারিয়ে বিজয়ী হয় ভাতিজা দল। খেলা শেষে অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়ের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আয়োজকেরা। এ ছাড়া খেলায় উপস্থিত দর্শকের জন্য বিশেষ র্যাফেল ড্ররও ব্যবস্থা করা হয়। এতে খেলা উপভোগ করতে আসা দর্শকও পুরস্কার জিতে নেয়।
দুপুরের পর থেকেই নির্ধারিত স্থানে আশপাশসহ দূর-দূরান্তের শত শত উৎসুক জনতা ফুটবল খেলা উপভোগ করতে উপস্থিত হন। কিছুটা বৈরী আবহাওয়া থাকলেও আয়োজকদের জমকালো আয়োজন এবং অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য উপভোগ করে দর্শক।
খেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের সাইদিন ফ্যাশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহবুবে খোদা সুজন। বিশেষ অতিথি ছিলেন টোন মি নন ওভেন টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক জহিরুল ইসলাম ভাবন, পাকুন্দিয়া মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান আসাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আযমী, ভয়েস অব পাকুন্দিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এস এম রায়হান, অ্যাডমিন ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম, রাজু আহমেদ দৌলত, কবি গোলাপ আমিন প্রমুখ।
খেলা পরিচালনা করেন পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ তমিজ।
ভয়েস অব পাকুন্দিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এস এম রায়হান বলেন, ‘নানা কারণে মানুষ বিনোদন উপভোগ করতে পারছে না। সাধারণ মানুষকে বিনোদন উপহার দিতেই আমাদের এই ভিন্নধর্মী আয়োজন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে আমরা পাঁচজন অসহায় দুস্থ নারীকে স্বাবলম্বী করতে পাঁচটি সেলাই মেশিন উপহার দিয়েছি। ভয়েস অব পাকুন্দিয়ার এসব সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।’

ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পানিতে ফুটবল খেলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার হরশী বরবাড়ির একটি পুকুরে এই খেলা হয়। অনলাইনভিত্তিক জনপ্রিয় প্ল্যাটফরম ভয়েস অব পাকুন্দিয়া এই খেলার আয়োজন করে।
খেলায় চাচা-ভাতিজা দল অংশ নেয়। উত্তেজনাপূর্ণ ৪০ মিনিটের এই খেলায় ৫-০ গোলে চাচাদের হারিয়ে বিজয়ী হয় ভাতিজা দল। খেলা শেষে অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়ের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আয়োজকেরা। এ ছাড়া খেলায় উপস্থিত দর্শকের জন্য বিশেষ র্যাফেল ড্ররও ব্যবস্থা করা হয়। এতে খেলা উপভোগ করতে আসা দর্শকও পুরস্কার জিতে নেয়।
দুপুরের পর থেকেই নির্ধারিত স্থানে আশপাশসহ দূর-দূরান্তের শত শত উৎসুক জনতা ফুটবল খেলা উপভোগ করতে উপস্থিত হন। কিছুটা বৈরী আবহাওয়া থাকলেও আয়োজকদের জমকালো আয়োজন এবং অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য উপভোগ করে দর্শক।
খেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের সাইদিন ফ্যাশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহবুবে খোদা সুজন। বিশেষ অতিথি ছিলেন টোন মি নন ওভেন টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক জহিরুল ইসলাম ভাবন, পাকুন্দিয়া মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান আসাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আযমী, ভয়েস অব পাকুন্দিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এস এম রায়হান, অ্যাডমিন ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম, রাজু আহমেদ দৌলত, কবি গোলাপ আমিন প্রমুখ।
খেলা পরিচালনা করেন পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ তমিজ।
ভয়েস অব পাকুন্দিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এস এম রায়হান বলেন, ‘নানা কারণে মানুষ বিনোদন উপভোগ করতে পারছে না। সাধারণ মানুষকে বিনোদন উপহার দিতেই আমাদের এই ভিন্নধর্মী আয়োজন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে আমরা পাঁচজন অসহায় দুস্থ নারীকে স্বাবলম্বী করতে পাঁচটি সেলাই মেশিন উপহার দিয়েছি। ভয়েস অব পাকুন্দিয়ার এসব সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে