পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোলাপি রঙের শতাধিক পদ্ম ফুটেছে। শিশির ভেজা ফুটন্ত পদ্মফুলগুলো যেন সজিব, প্রাণবন্ত। ভেজা, স্নিগ্ধ এসব পদ্মগুলো গ্রামীণ জনপদের শীতের আবহকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলছে। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করছে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হিজলিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত তাহের উদ্দিন মাস্টারের বাড়ির পাশে এক নালায় গোলাপি বর্ণের এসব পদ্মফুল ফুটেছে। গত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে ফুলের সংখ্যা। নালার পাশ দিয়ে একটি গ্রামীণ রাস্তা বয়ে গেছে। ওই রাস্তাটি পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর সড়কের ডানপাশে মরুরা ইকু সেন্টার থেকে শুরু হয়ে হিজলিয়া আবদুল মতিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে মির্জাপুর-তারাকান্দি সড়কে গিয়ে মিলিত হয়েছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাফেরা করে থাকেন। এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী লোকজনের নজর কাড়ছে নালায় ফোঁটা পদ্মফুল। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন। কেউবা আবার সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করছেন।
মুহিবুল্লাহ নাম এক পথচারী বলেন, প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাফেরা করি। যখনই এই জায়গাটিতে আসি ক্ষণিকের জন্য হলেও দাঁড়িয়ে থাকি। নালায় ফোঁটা পদ্মফুলগুলোর সৌন্দর্য উপভোগ করি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই মুহূর্তটা বেশ উপভোগ করি। গোলাপি বর্ণের এই ফুল যে কারও নজর কাড়বে। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য মুঠোফোনে ছবি তুলে রেখেছি।
নালার মালিক তাহের উদ্দিন মাস্টার বলেন, এ নালায় আমি দেশীয় মাছ চাষ করতাম। গত ২-৩ বছর ধরে গোলাপি রঙের পদ্ম ফুল ফুটছে। ফুলগুলোর বেশ সৌন্দর্য ছড়ায়। নিজের কাছেও বেশ ভালো লাগে। তাই এগুলো তোলা হয় না। দিনদিন পদ্ম ফুলের সংখ্যা বাড়ছে। সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারি লোকজন এ ফুলের সৌন্দর্য দেখে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে উপভোগ করছেন। কেউবা আবার সেলফি কিংবা ছবি তুলছেন। বিষয়টি আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।

গোলাপি রঙের শতাধিক পদ্ম ফুটেছে। শিশির ভেজা ফুটন্ত পদ্মফুলগুলো যেন সজিব, প্রাণবন্ত। ভেজা, স্নিগ্ধ এসব পদ্মগুলো গ্রামীণ জনপদের শীতের আবহকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলছে। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করছে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হিজলিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত তাহের উদ্দিন মাস্টারের বাড়ির পাশে এক নালায় গোলাপি বর্ণের এসব পদ্মফুল ফুটেছে। গত কয়েক বছর ধরে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে ফুলের সংখ্যা। নালার পাশ দিয়ে একটি গ্রামীণ রাস্তা বয়ে গেছে। ওই রাস্তাটি পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর সড়কের ডানপাশে মরুরা ইকু সেন্টার থেকে শুরু হয়ে হিজলিয়া আবদুল মতিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে মির্জাপুর-তারাকান্দি সড়কে গিয়ে মিলিত হয়েছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাফেরা করে থাকেন। এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী লোকজনের নজর কাড়ছে নালায় ফোঁটা পদ্মফুল। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন। কেউবা আবার সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করছেন।
মুহিবুল্লাহ নাম এক পথচারী বলেন, প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাফেরা করি। যখনই এই জায়গাটিতে আসি ক্ষণিকের জন্য হলেও দাঁড়িয়ে থাকি। নালায় ফোঁটা পদ্মফুলগুলোর সৌন্দর্য উপভোগ করি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই মুহূর্তটা বেশ উপভোগ করি। গোলাপি বর্ণের এই ফুল যে কারও নজর কাড়বে। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য মুঠোফোনে ছবি তুলে রেখেছি।
নালার মালিক তাহের উদ্দিন মাস্টার বলেন, এ নালায় আমি দেশীয় মাছ চাষ করতাম। গত ২-৩ বছর ধরে গোলাপি রঙের পদ্ম ফুল ফুটছে। ফুলগুলোর বেশ সৌন্দর্য ছড়ায়। নিজের কাছেও বেশ ভালো লাগে। তাই এগুলো তোলা হয় না। দিনদিন পদ্ম ফুলের সংখ্যা বাড়ছে। সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারি লোকজন এ ফুলের সৌন্দর্য দেখে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে উপভোগ করছেন। কেউবা আবার সেলফি কিংবা ছবি তুলছেন। বিষয়টি আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে