মাগুরা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কখনো চাঁদাবাজি করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। আমরা এমন একটা দেশ চাই, যেখানে ন্যায্য স্বাধীনতা চাই। যে স্বাধীনতা অপরের চরিত্র হনন করে, সেই স্বাধীনতা আমরা চাই না।’
আজ বৃহস্পতিবার মাগুরা শহরের নোমানী ময়দানে এক কর্মিসভায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর মাগুরার নোমানী ময়দানে উন্মুক্ত জায়গায় কর্মিসভার আয়োজন করে জেলা জামায়াত। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় সেই কর্মিসভায় যোগ দেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় নোমানী ময়দানে হাজারো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক যুগ আগে পিলখানায় যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার বিচার হবে আশা করি। গুম, খুন, লুটের বিচার হবে। আমাদের সন্তানেরা এখন যা চায়, তা হলো বৈষম্যহীন সমাজ। তা-ই করা হবে। সঠিক বিচার হবে, যারা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। আমরা কথা দিচ্ছি, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সব সময় সঙ্গে থাকবে।’
ডা. শফিক আরও বলেন, ‘আমরা কখনো চাঁদাবাজি করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। আমরা এমন একটা দেশ চাই, যেখানে ন্যায্য স্বাধীনতা চাই। যেই স্বাধীনতা অপরের চরিত্র হনন করে সেই স্বাধীনতা আমরা চাই না। জনগণের অধিকার রক্ষায় ন্যায্য স্বাধীনতা চাই। আমার সামনে সাংবাদিক বন্ধুরা আছেন, তাঁদের স্বাধীনতাও দরকার। বিগত সরকারের আমলে গণমাধ্যমে সেন্সরশিপ ছিল।’

আমিরে জামায়াত বলেন, ‘১৯৪১ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামের রাজনীতির পথচলা। অথচ এই ৮৪ বছরেও আমরা ক্ষমতায় যেতে পারিনি। এটা আমাদের দুর্বলতা বলা যায়। ভবিষ্যতে আমরা সবার সমর্থন পেলে সরকার গঠন করে দেখাতে চাই, ঘুষহীন সমাজ কীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হয়।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে ছাত্রদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী একমত পোষণ করে। সব ধর্মের মানুষের নিয়ে সোনার বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কখনো চাঁদাবাজি করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। আমরা এমন একটা দেশ চাই, যেখানে ন্যায্য স্বাধীনতা চাই। যে স্বাধীনতা অপরের চরিত্র হনন করে, সেই স্বাধীনতা আমরা চাই না।’
আজ বৃহস্পতিবার মাগুরা শহরের নোমানী ময়দানে এক কর্মিসভায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর মাগুরার নোমানী ময়দানে উন্মুক্ত জায়গায় কর্মিসভার আয়োজন করে জেলা জামায়াত। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় সেই কর্মিসভায় যোগ দেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় নোমানী ময়দানে হাজারো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক যুগ আগে পিলখানায় যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার বিচার হবে আশা করি। গুম, খুন, লুটের বিচার হবে। আমাদের সন্তানেরা এখন যা চায়, তা হলো বৈষম্যহীন সমাজ। তা-ই করা হবে। সঠিক বিচার হবে, যারা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। আমরা কথা দিচ্ছি, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সব সময় সঙ্গে থাকবে।’
ডা. শফিক আরও বলেন, ‘আমরা কখনো চাঁদাবাজি করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। আমরা এমন একটা দেশ চাই, যেখানে ন্যায্য স্বাধীনতা চাই। যেই স্বাধীনতা অপরের চরিত্র হনন করে সেই স্বাধীনতা আমরা চাই না। জনগণের অধিকার রক্ষায় ন্যায্য স্বাধীনতা চাই। আমার সামনে সাংবাদিক বন্ধুরা আছেন, তাঁদের স্বাধীনতাও দরকার। বিগত সরকারের আমলে গণমাধ্যমে সেন্সরশিপ ছিল।’

আমিরে জামায়াত বলেন, ‘১৯৪১ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামের রাজনীতির পথচলা। অথচ এই ৮৪ বছরেও আমরা ক্ষমতায় যেতে পারিনি। এটা আমাদের দুর্বলতা বলা যায়। ভবিষ্যতে আমরা সবার সমর্থন পেলে সরকার গঠন করে দেখাতে চাই, ঘুষহীন সমাজ কীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হয়।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে ছাত্রদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী একমত পোষণ করে। সব ধর্মের মানুষের নিয়ে সোনার বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে