ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি

ব্যবসায়ীরা মহাসড়কের পাশে কাঠ রাখায় চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে জনসাধারণ। এতে করে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
জানা যায়, বিভাগীয় শহর খুলনার প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আঠারমাইল-জিরো পয়েন্ট মহাসড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই মহাসড়ক দিয়ে কালীগঞ্জ-সাতক্ষীরা, কয়রা-পাইকগাছা, নওয়াপাড়া ও যশোরে যাওয়া-আসার সব ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এ কারণে সড়কটিতে গাড়ি চলাচলের চাপ বেশি থাকে। তবে কোনো ধরনের তদারকি না থাকায় রাস্তায় চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট থেকে আঠারমাইল বাজার পর্যন্ত সড়কের পাশ দিয়ে ২০-২৫টি স মিল ও শতাধিক কাঠগোলা রয়েছে। ব্যবসায়ী ও স মিলের মালিকেরা আইনকানুনের কোনো তোয়াক্কা না করেই নিজেদের ইচ্ছামতো যেখানে-সেখানে কাঠ স্তূপ করে রেখেছেন। রাস্তার দুপাশ দিয়ে কাঠের উঁচু স্তূপ করে রাখায় জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে মহাসড়কজুড়ে কাঠ রাখা হলেও এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ উদাসীন। যে কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
এই সড়ক দিয়ে প্রচুর ভ্যান, মোটরচালিত ভ্যান, নসিমন-করিমন, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রসহ অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। এসব যানবাহনকে ওভারটেক করে বড় বড় গাড়ি যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে এই অঞ্চলের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বড় গাড়িগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
এ বিষয়ে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা কাঠগোলা ব্যবসায়ী ও স মিল মালিকদের মহাসড়কের পাশে কাঠ না রাখার জন্য অনুরোধ করেছি। অনেক ব্যবসায়ী আমাদের অনুরোধ মেনে কাঠ সরিয়ে নিয়েছেন। যাঁরা এখনো মহাসড়কের পাশে কােঠর স্তূপ রেখেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। কিছুদিনের মধ্যে মহাসড়কে কাঠ রাখা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

ব্যবসায়ীরা মহাসড়কের পাশে কাঠ রাখায় চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে জনসাধারণ। এতে করে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
জানা যায়, বিভাগীয় শহর খুলনার প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত আঠারমাইল-জিরো পয়েন্ট মহাসড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই মহাসড়ক দিয়ে কালীগঞ্জ-সাতক্ষীরা, কয়রা-পাইকগাছা, নওয়াপাড়া ও যশোরে যাওয়া-আসার সব ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এ কারণে সড়কটিতে গাড়ি চলাচলের চাপ বেশি থাকে। তবে কোনো ধরনের তদারকি না থাকায় রাস্তায় চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট থেকে আঠারমাইল বাজার পর্যন্ত সড়কের পাশ দিয়ে ২০-২৫টি স মিল ও শতাধিক কাঠগোলা রয়েছে। ব্যবসায়ী ও স মিলের মালিকেরা আইনকানুনের কোনো তোয়াক্কা না করেই নিজেদের ইচ্ছামতো যেখানে-সেখানে কাঠ স্তূপ করে রেখেছেন। রাস্তার দুপাশ দিয়ে কাঠের উঁচু স্তূপ করে রাখায় জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে মহাসড়কজুড়ে কাঠ রাখা হলেও এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ উদাসীন। যে কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
এই সড়ক দিয়ে প্রচুর ভ্যান, মোটরচালিত ভ্যান, নসিমন-করিমন, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রসহ অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। এসব যানবাহনকে ওভারটেক করে বড় বড় গাড়ি যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে এই অঞ্চলের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বড় গাড়িগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
এ বিষয়ে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা কাঠগোলা ব্যবসায়ী ও স মিল মালিকদের মহাসড়কের পাশে কাঠ না রাখার জন্য অনুরোধ করেছি। অনেক ব্যবসায়ী আমাদের অনুরোধ মেনে কাঠ সরিয়ে নিয়েছেন। যাঁরা এখনো মহাসড়কের পাশে কােঠর স্তূপ রেখেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। কিছুদিনের মধ্যে মহাসড়কে কাঠ রাখা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের কাছে আবিদের সুস্থতা ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। দুর্ঘটনায় আবিদের শরীরের ২২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তবে ক্ষত গভীর হওয়ায় তার রক্তে সংক্রমণ (সেফটিসেমিয়া) ছড়িয়ে পড়েছিল।
৩ মিনিট আগে
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের জন্য নির্ধারিত ফাঁকা জায়গা থেকে একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সালমান (১২) নামে ওই শিশুটিকে পথশিশু বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৫ মিনিট আগে
নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১ ঘণ্টা আগে