বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক মামলার আসামি ইলিয়াস শিকদারকে (৪২) ছিনিয়ে নেন তাঁর আত্মীয়স্বজনেরা। এ হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনকে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম খোন্তাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই শফিকুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মিলন। এঁদের মধ্যে এএসআই শফিকুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মিলন শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
হামলার ঘটনায় এসআই আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ইলিয়াস শিকদার, তাঁর ভাই ফারুক শিকদার, নাছির শিকদার, স্ত্রী রূপালী বেগম, মেয়ে আখিসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে শরণখোলা থানায় মামলা করেছেন।
এ মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে খোন্তাকাটা গ্রামে পুলিশ ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি আবারও পুলিশের ওপর দা নিয়ে চড়াও হন। তবে এ সময় কেউ হতাহত হননি। ইলিয়াসকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া গাঁজার কলকিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এদিকে পুলিশের ওপর হামলার পরও পালিয়ে না যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ইলিয়াসের পেছনে ক্ষমতাধর কোনো সিন্ডিকেট রয়েছে বলে ধারণা করছেন তাঁরা।
মামলার বাদী এসআই আব্দুস সালাম বলেন, ‘গতকাল বুধবার ইলিয়াসকে গাঁজাসহ ধরে ফেললে, সে আমাদের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে ইলিয়াসের ভাই, মেয়ে ও আত্মীয়স্বজন আমাদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে। ইলিয়াসকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এতে আমরা তিনজন আহত হই।’
খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইলিয়াস শিকদার দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা সেবন ও বিক্রি করে আসছে। আমরা চেষ্টা করছিলাম তাকে পুলিশের মাধ্যমে হাতেনাতে ধরার। পুলিশ হাতেনাতে গাঁজাসহ ধরলে পুলিশের ওপর হামলা করে ইলিয়াস ও তার স্বজনরা। শুধু ইলিয়াস নয়, শরণখোলা উপজেলায় আরও অনেকেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও বেশি অভিযান চালানোর দাবি জানাচ্ছি।’
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার পরও ইলিয়াস শিকদার পালায়নি। বরং পরে গ্রেপ্তার করতে গেলে সে দা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করেছে। আমরা ৫০ গ্রাম গাঁজা, দাসহ ইলিয়াস শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছি। ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় আরও একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
ওসি মো. ইকরাম হোসেন আরও বলেন, ‘গতকাল এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই শফিকুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মিলন ইলিয়াসকে ধরতে তার বাড়ির সামনে যায়। এঁদের মধ্যে এসআই আব্দুস সালাম ছাড়া অন্য দুজন সাদাপোশাকে ছিলেন। তাঁরা ইলিয়াস শিকদারকে গাঁজাসহ ধরে ফেলেন। এ সময় ইলিয়াস পুলিশের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে ইলিয়াসের আত্মীয়স্বজনেরা পুলিশের ওপর হামলা করে এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যরা থানায় ফিরে এসে মামলা করেন।’

বাগেরহাটের শরণখোলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক মামলার আসামি ইলিয়াস শিকদারকে (৪২) ছিনিয়ে নেন তাঁর আত্মীয়স্বজনেরা। এ হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনকে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম খোন্তাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই শফিকুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মিলন। এঁদের মধ্যে এএসআই শফিকুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মিলন শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
হামলার ঘটনায় এসআই আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ইলিয়াস শিকদার, তাঁর ভাই ফারুক শিকদার, নাছির শিকদার, স্ত্রী রূপালী বেগম, মেয়ে আখিসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করে শরণখোলা থানায় মামলা করেছেন।
এ মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে খোন্তাকাটা গ্রামে পুলিশ ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি আবারও পুলিশের ওপর দা নিয়ে চড়াও হন। তবে এ সময় কেউ হতাহত হননি। ইলিয়াসকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া গাঁজার কলকিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এদিকে পুলিশের ওপর হামলার পরও পালিয়ে না যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ইলিয়াসের পেছনে ক্ষমতাধর কোনো সিন্ডিকেট রয়েছে বলে ধারণা করছেন তাঁরা।
মামলার বাদী এসআই আব্দুস সালাম বলেন, ‘গতকাল বুধবার ইলিয়াসকে গাঁজাসহ ধরে ফেললে, সে আমাদের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে ইলিয়াসের ভাই, মেয়ে ও আত্মীয়স্বজন আমাদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে। ইলিয়াসকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এতে আমরা তিনজন আহত হই।’
খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইলিয়াস শিকদার দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা সেবন ও বিক্রি করে আসছে। আমরা চেষ্টা করছিলাম তাকে পুলিশের মাধ্যমে হাতেনাতে ধরার। পুলিশ হাতেনাতে গাঁজাসহ ধরলে পুলিশের ওপর হামলা করে ইলিয়াস ও তার স্বজনরা। শুধু ইলিয়াস নয়, শরণখোলা উপজেলায় আরও অনেকেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও বেশি অভিযান চালানোর দাবি জানাচ্ছি।’
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার পরও ইলিয়াস শিকদার পালায়নি। বরং পরে গ্রেপ্তার করতে গেলে সে দা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করেছে। আমরা ৫০ গ্রাম গাঁজা, দাসহ ইলিয়াস শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছি। ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় আরও একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
ওসি মো. ইকরাম হোসেন আরও বলেন, ‘গতকাল এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই শফিকুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মিলন ইলিয়াসকে ধরতে তার বাড়ির সামনে যায়। এঁদের মধ্যে এসআই আব্দুস সালাম ছাড়া অন্য দুজন সাদাপোশাকে ছিলেন। তাঁরা ইলিয়াস শিকদারকে গাঁজাসহ ধরে ফেলেন। এ সময় ইলিয়াস পুলিশের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে ইলিয়াসের আত্মীয়স্বজনেরা পুলিশের ওপর হামলা করে এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যরা থানায় ফিরে এসে মামলা করেন।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৪ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে