
সুন্দরবনে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আফজাল সরদারকে (৩২) আটক করেছে যৌথ বাহিনী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, আউটপোস্ট নলিয়ান, স্টেশন কয়রা এবং পুলিশের সমন্বয়ে কয়রা থানাধীন নারায়ণপুর এলাকায় একটি বিশেষ যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আফজাল সরদারকে আটক করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বেলা ১১টায় মোংলা থানাধীন পাশাখালী ফরেস্ট অফিস-সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি শটগান, একটি একনলা বন্দুক, ২১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও একটি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে সুন্দরবনে যৌথ অভিযান শুরু হলে ওই ডাকাত সদস্য আতঙ্কিত হয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাশাখালী ফরেস্ট অফিস-সংলগ্ন এলাকায় পুঁতে রেখে কয়রার নারায়ণপুর এলাকায় আত্মগোপন করেন।
আটক ডাকাত সদস্য আফজাল সরদার খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কয়রা ও ডুমুরিয়া থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রভাব নৈমিত্তিকভাবে চোখে না পড়লেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ম্যালেরিয়া রোগ এখনো দৃঢ়ভাবেই বিদ্যমান। গত দেড় যুগে দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি জেলায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ দেখা গেছে। এসব জেলার ৭২টি উপজেলায় রোগটির উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি বিস্তার ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায়।
১২ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরা ‘কম্বে রেন্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’ নামে একটি মদের বারে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানকালে ৫৭ নারীসহ ১৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে রহস্যজনক কারণে সেখান থেকে কোনো মদ-বিয়ার জব্দ করা হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাছুম মোস্তাফার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার বিরিশিরি সড়কের পাশে আতকাপাড়া পেট্রলপাম্প এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভুক্তভোগী প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা বলছেন, চাঁদাবাজি নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে জড়িয়ে আপত্তিকর কথা বলা হয় তাঁকে। এ কারণে তিনি মেজাজ হারিয়ে বিএনপি কর্মী শাহাদ আলীকে প্রথমে চড় দেন। এরপর তাঁকে স্যান্ডেল খুলে পেটান শাহাদ।
৫ ঘণ্টা আগে