ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলায় ঝিনাইদহ-১ আসনের এমপি ও নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাইকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বৈজয়ন্ত বিশ্বাসের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। একই সময় তার বিরুদ্ধে করা আরও একটি মামলায় জামিন দেওয়া হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ইসমাইল হোসেন বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নির্ধারিত দিনে হাজির না হওয়ায় গতকাল বুধবার রাতে ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাই, শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সংসদ সদস্য আব্দুল হাই এর সমর্থকেরা ভাটই বাজারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। একই মাসের ১২ তারিখে সারুটিয়া ইউনিয়নের কাতলাগাড়ী বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টদের উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুনসহ তার কর্মী-সমর্থকেরা।
এটা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। তাই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক এই তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয় আদালতে। সেই মামলার শুনানির নির্ধারিত দিন তারা হাজির হননি। ফলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ বিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াতেই আমরা জামিন পেয়েছি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী শামসুজ্জামান তুহিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। আদালতে তা উপস্থাপন করার পর বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলায় ঝিনাইদহ-১ আসনের এমপি ও নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাইকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বৈজয়ন্ত বিশ্বাসের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। একই সময় তার বিরুদ্ধে করা আরও একটি মামলায় জামিন দেওয়া হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ইসমাইল হোসেন বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নির্ধারিত দিনে হাজির না হওয়ায় গতকাল বুধবার রাতে ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাই, শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সংসদ সদস্য আব্দুল হাই এর সমর্থকেরা ভাটই বাজারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। একই মাসের ১২ তারিখে সারুটিয়া ইউনিয়নের কাতলাগাড়ী বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টদের উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুনসহ তার কর্মী-সমর্থকেরা।
এটা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। তাই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক এই তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয় আদালতে। সেই মামলার শুনানির নির্ধারিত দিন তারা হাজির হননি। ফলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ বিষয়ে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াতেই আমরা জামিন পেয়েছি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী শামসুজ্জামান তুহিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। আদালতে তা উপস্থাপন করার পর বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে