কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে মারধর ও নিয়োগসংক্রান্ত কাগজে জোর করে সই নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় কয়রার মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ পূর্বক জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি সভাপতি। বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী দেলোয়ার হোসেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৫ মে কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগবিধি অনুযায়ী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
লিখিত পরীক্ষায় কোনো প্রার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ার পরও মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমানকে নিয়োগ দিতে চাপ সৃষ্টি করেন ইউপি চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। চাপ উপেক্ষা করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে অনড় থাকেন অধ্যাপক। এতে ক্ষিপ্ত হন সভাপতি। পরে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক জিয়াউল আহসানের গাড়িতে করে ফেরার পথে মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদের বাড়ির সামনে পৌঁছালে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন তাঁদের গতিরোধ করেন। গাড়ি থামানোর সঙ্গে সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান তাঁর মুঠোফোন, মানিব্যাগ, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ আনুমানিক ২০ হাজার টাকা ও তাঁর হাতে থাকা ঘড়ি ছিনিয়ে নেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন কিলঘুষি মারতে মারতে তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়িতে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়োগের কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেন। রাজি না হলে একটি ঘরে চার ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের পর জোর করে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। এ সময় তাঁদের মারধরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। জ্ঞান ফিরলে নিজেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে পান নজরুল ইসলাম।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে মারধর ও নিয়োগসংক্রান্ত কাগজে জোর করে সই নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় কয়রার মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ পূর্বক জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি সভাপতি। বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী দেলোয়ার হোসেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৫ মে কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগবিধি অনুযায়ী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
লিখিত পরীক্ষায় কোনো প্রার্থী উত্তীর্ণ না হওয়ার পরও মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমানকে নিয়োগ দিতে চাপ সৃষ্টি করেন ইউপি চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। চাপ উপেক্ষা করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে অনড় থাকেন অধ্যাপক। এতে ক্ষিপ্ত হন সভাপতি। পরে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক জিয়াউল আহসানের গাড়িতে করে ফেরার পথে মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদের বাড়ির সামনে পৌঁছালে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন তাঁদের গতিরোধ করেন। গাড়ি থামানোর সঙ্গে সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান তাঁর মুঠোফোন, মানিব্যাগ, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ আনুমানিক ২০ হাজার টাকা ও তাঁর হাতে থাকা ঘড়ি ছিনিয়ে নেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন কিলঘুষি মারতে মারতে তাঁকে গাড়ি থেকে নামিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়িতে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়োগের কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেন। রাজি না হলে একটি ঘরে চার ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের পর জোর করে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। এ সময় তাঁদের মারধরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। জ্ঞান ফিরলে নিজেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে পান নজরুল ইসলাম।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে