মো. মাহবুব-উল-আহসান উল্লাস, খোকসা (কুষ্টিয়া)

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌর এলাকায় ১০টি পরিবার বাঁশের চাটাই তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বংশ পরম্পরায় চাটাই শিল্পকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে আছেন তাঁরা। তবে অদূর ভবিষ্যতে এ শিল্প বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় আছেন তাঁরা।
বাঁশ দিয়ে তৈরি চাটাই শিল্পই এই পরিবারগুলোর একমাত্র পেশা। ওই পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এ কাজে বাড়ির বউ-ঝি থেকে শুরু করে, স্কুল, কলেজপড়ুয়া ছেলেমেয়েরাও লেখাপড়ার পাশাপাশি বড়দের কাজে সহযোগিতা করে থাকে।
বছরের পর বছর তারা বাঁশের তৈরি চাটাইয়ের পাশাপাশি ডালি, কুলা, ধান রাখার ডোল ও মাছ ধরার উপকরণ তৈরি করছেন।
চাটাই তৈরির কারিগর ষাটোর্ধ্ব আয়নাল হোসেন বলেন, ‘চাটাই তৈরির বাঁশ আমরা চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসি। এক ট্রাক বাঁশের মূল্য দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। চাটাইয়ের মানভেদে প্রতি বর্গফুট ৬০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে আগের মতো এখন আর তেমন একটা লাভ হয় না। শুধুমাত্র জীবিকার তাগিদে এসব কাজ করছি। কেউ কেউ অন্য পেশায় চলে গেছেন।’
চাটাই তৈরির অপর কারিগর মো. খোকন (৩০) বলেন, ‘এ পেশা আমরা পেয়েছি বংশপরম্পরায়। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের কাছ থেকে বাঁশ দিয়ে এসব পণ্য তৈরির কৌশল শিখেছি। এই কুটির শিল্পে আমাদের অনেক সুনাম ছিল। কিন্তু সুনামে তো পেট ভরে না। দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে সকাল-সন্ধ্যা খাটতে হয়। অভাবের কারণে ছেলে-মেয়েদেরও লেখাপড়া করানো সম্ভব হয় না।’
অপর চাটাই কারিগর জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৪৫) বলেন, বর্তমানে বাঁশের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাটাই তৈরিতে খরচ কিছুটা বেশি হচ্ছে। সেই সঙ্গে অর্থের অভাবে তারা চাহিদা মাফিক বাঁশ কিনতে পারছেন না। সরকারি অথবা বেসরকারি সহায়তা পেলে চাটাই শিল্প রক্ষা ও প্রসার করা সম্ভব।
কথা হয় কলেজছাত্রী নুর এ তাবাসুমের (১৭) সঙ্গে। তিনি জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি বড়দের এ কাজে সহযোগিতা করছেন তিনি। তাবাসুমের মতো রেহানা, মাজেদা ও দিশা জানান, দিনের অধিকাংশ সময় তাঁরা দল বেঁধে বাড়ির আঙিনায় বসে চাটাই তৈরি করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহউদ্দিন বলেন, ‘বাঁশ ও বেত শিল্প বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি অংশ। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।’

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌর এলাকায় ১০টি পরিবার বাঁশের চাটাই তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বংশ পরম্পরায় চাটাই শিল্পকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে আছেন তাঁরা। তবে অদূর ভবিষ্যতে এ শিল্প বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় আছেন তাঁরা।
বাঁশ দিয়ে তৈরি চাটাই শিল্পই এই পরিবারগুলোর একমাত্র পেশা। ওই পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এ কাজে বাড়ির বউ-ঝি থেকে শুরু করে, স্কুল, কলেজপড়ুয়া ছেলেমেয়েরাও লেখাপড়ার পাশাপাশি বড়দের কাজে সহযোগিতা করে থাকে।
বছরের পর বছর তারা বাঁশের তৈরি চাটাইয়ের পাশাপাশি ডালি, কুলা, ধান রাখার ডোল ও মাছ ধরার উপকরণ তৈরি করছেন।
চাটাই তৈরির কারিগর ষাটোর্ধ্ব আয়নাল হোসেন বলেন, ‘চাটাই তৈরির বাঁশ আমরা চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসি। এক ট্রাক বাঁশের মূল্য দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। চাটাইয়ের মানভেদে প্রতি বর্গফুট ৬০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে আগের মতো এখন আর তেমন একটা লাভ হয় না। শুধুমাত্র জীবিকার তাগিদে এসব কাজ করছি। কেউ কেউ অন্য পেশায় চলে গেছেন।’
চাটাই তৈরির অপর কারিগর মো. খোকন (৩০) বলেন, ‘এ পেশা আমরা পেয়েছি বংশপরম্পরায়। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের কাছ থেকে বাঁশ দিয়ে এসব পণ্য তৈরির কৌশল শিখেছি। এই কুটির শিল্পে আমাদের অনেক সুনাম ছিল। কিন্তু সুনামে তো পেট ভরে না। দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে সকাল-সন্ধ্যা খাটতে হয়। অভাবের কারণে ছেলে-মেয়েদেরও লেখাপড়া করানো সম্ভব হয় না।’
অপর চাটাই কারিগর জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৪৫) বলেন, বর্তমানে বাঁশের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাটাই তৈরিতে খরচ কিছুটা বেশি হচ্ছে। সেই সঙ্গে অর্থের অভাবে তারা চাহিদা মাফিক বাঁশ কিনতে পারছেন না। সরকারি অথবা বেসরকারি সহায়তা পেলে চাটাই শিল্প রক্ষা ও প্রসার করা সম্ভব।
কথা হয় কলেজছাত্রী নুর এ তাবাসুমের (১৭) সঙ্গে। তিনি জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি বড়দের এ কাজে সহযোগিতা করছেন তিনি। তাবাসুমের মতো রেহানা, মাজেদা ও দিশা জানান, দিনের অধিকাংশ সময় তাঁরা দল বেঁধে বাড়ির আঙিনায় বসে চাটাই তৈরি করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহউদ্দিন বলেন, ‘বাঁশ ও বেত শিল্প বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি অংশ। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।’

যশোর সরকারি এম এম কলেজের শহীদ আসাদ হলে ঢুকে রবিউল ইসলাম (২১) নামে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের
১৫ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে