প্রতিনিধি, খুলনা

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৭৩২ জন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজর ৪১৬ জনের।
আজ বৃহস্পতিবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। বাকিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১০, যশোরে ৬ জন, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, নড়াইল ও মাগুরায় ৩ জন করে এবং বাগেরহাট ও মেহেরপুরে ১ জন করে মারা গেছেন।
খুলনা বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৩১ জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৪১৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৪ হাজার ১৮৪ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত হয়েছে যশোরে। এ জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৫২৫ জন। মোট মারা গেছেন ১৯৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৯৫ জন।
খুলনা জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৩৮ জনের। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৮ জনের। মারা গেছেন ৩৬৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ১৭২ জন।
বাগেরহাটে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৩৫ জনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ২৭৪ জনের। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯৪৮ জন।
সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৫০ জন। মারা গেছেন ৭৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০৬ জন।
একই সময়ে নড়াইলে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৬ জন। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। মোট মারা গেছেন ৫৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৯১ জন।
মাগুরায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯২২ জনের। মোট মারা গেছেন ৩৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৪৯ জন।
ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩২০ জন। মোট মারা গেছেন ১১৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২৮২ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৩২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৬৬৩ জনের। মোট মারা গেছেন ২৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ২৬৩ জন।
চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১৯১ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ২৬৬ জনের। মোট মারা গেছেন ১০৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৩৮৫ জন।
মেহেরপুরে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৯৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৬৩ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৪৯৩ জন।
এদিকে লকডাউনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, ‘আগেই সবখানে ছড়িয়ে গেছে। আরও কিছুদিন লকডাউন থাকলে করোনা কমতে পারে।’

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৭৩২ জন। এ নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজর ৪১৬ জনের।
আজ বৃহস্পতিবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। বাকিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১০, যশোরে ৬ জন, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, নড়াইল ও মাগুরায় ৩ জন করে এবং বাগেরহাট ও মেহেরপুরে ১ জন করে মারা গেছেন।
খুলনা বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৩১ জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৪১৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৪ হাজার ১৮৪ জন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত হয়েছে যশোরে। এ জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৫২৫ জন। মোট মারা গেছেন ১৯৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৯৫ জন।
খুলনা জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৩৮ জনের। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৮ জনের। মারা গেছেন ৩৬৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ১৭২ জন।
বাগেরহাটে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৩৫ জনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ২৭৪ জনের। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯৪৮ জন।
সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৫০ জন। মারা গেছেন ৭৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯০৬ জন।
একই সময়ে নড়াইলে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৬ জন। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। মোট মারা গেছেন ৫৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৯১ জন।
মাগুরায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯২২ জনের। মোট মারা গেছেন ৩৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৪৯ জন।
ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩২০ জন। মোট মারা গেছেন ১১৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২৮২ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৩২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৬৬৩ জনের। মোট মারা গেছেন ২৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ২৬৩ জন।
চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১৯১ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ২৬৬ জনের। মোট মারা গেছেন ১০৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৩৮৫ জন।
মেহেরপুরে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৯৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৬৩ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৪৯৩ জন।
এদিকে লকডাউনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, ‘আগেই সবখানে ছড়িয়ে গেছে। আরও কিছুদিন লকডাউন থাকলে করোনা কমতে পারে।’

ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
১১ মিনিট আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
১৫ মিনিট আগে
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, অর্থাৎ কালকে রায় হলে পরশু ইলেকশন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসুর নির্বাচনের পক্ষে ইতিবাচক রায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।
১৮ মিনিট আগে
এক শীত চলে গেছে, আরেক শীতের মৌসুম শেষ হওয়ার পথে, তবু শীতার্তদের জন্য বিদেশে থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া ৮ কনটেইনার শীতবস্ত্র পৌঁছায়নি দুস্থদের কাছে। ১০ মাস আগে এসব শীতবস্ত্র কনটেইনারে করে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মালপত্র এখনো খালাস করা যায়নি।
২১ মিনিট আগে