মো. সেলিম হায়দার, তালা (সাতক্ষীরা)

সাতক্ষীরার তালার নয়মি সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় কলা ও মানবিক ইউনিটে ১৭৪৯তম স্থান অধিকার করেছেন। তবে স্কুলজীবন থেকেই আর্থিক অনটনের মধ্যে পড়ালেখা করা এই মেধাবী শিক্ষার্থীর ঢাবিতে ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও পরবর্তী পড়ালেখার খরচ কীভাবে জোগাড় করবে এই শঙ্কায় দিন কাটছে নয়মি ও তাঁর পরিবারের।
নয়মি সরকার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের কানাইদিয়া গ্রামের দিনমজুর জেমস যদু সরকার ও অর্চনা সরকারের মেয়ে।
নয়মি সরকার বাবা জেমস যদু সরকার বলেন, ‘খলিলনগর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে আমার পৈতৃক বাড়ি। স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় যে দুই শতক জমির ওপরে বসবাস করতাম তা বিক্রি করে চিকিৎসা করেছি। এখন জালালপুর ইউনিয়নের কানাইদিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছি। এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। অন্যের জমিতে কাজ করে আমার সংসার চলে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালাতে আমার খুব কষ্ট হয়, কীভাবে মেয়েকে এখন ভর্তি করব তা আমি নিজেও জানি না।’
নয়মি সরকার বলেন, ‘আমার বাবা আমাদের দুই ভাই-বোনকে খুব কষ্ট করে পড়াশোনা করান। আমি এসএসসি ও এইচএসসিতে এ প্লাস পেয়েছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিক ইউনিটে ১৭৪৯তম স্থান অধিকার করেছি। টাকার অভাবে কোচিং করতে পারিনি, কোনো রকমে অনলাইনের মাধ্যমে কোচিং করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েও শুধু টাকার অভাবে ভর্তির ব্যাপারে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে আমার। আমি বিত্তবানদের কাছে ভর্তি ও লেখাপড়ার খরচের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।’

খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু বলেন, ‘র্থের অভাবে মেয়েটির বাবা এলাকা ছেড়ে কানাইদিয়া এলাকায় বসবাস করেস। তাঁর পড়াশোনায় সহযোগিতা করার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ করছি।’
জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক বলেন, ‘আমার এলাকা থেকে নয়মি সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। আমি তাঁকে আর্থিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।’

সাতক্ষীরার তালার নয়মি সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় কলা ও মানবিক ইউনিটে ১৭৪৯তম স্থান অধিকার করেছেন। তবে স্কুলজীবন থেকেই আর্থিক অনটনের মধ্যে পড়ালেখা করা এই মেধাবী শিক্ষার্থীর ঢাবিতে ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও পরবর্তী পড়ালেখার খরচ কীভাবে জোগাড় করবে এই শঙ্কায় দিন কাটছে নয়মি ও তাঁর পরিবারের।
নয়মি সরকার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের কানাইদিয়া গ্রামের দিনমজুর জেমস যদু সরকার ও অর্চনা সরকারের মেয়ে।
নয়মি সরকার বাবা জেমস যদু সরকার বলেন, ‘খলিলনগর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে আমার পৈতৃক বাড়ি। স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় যে দুই শতক জমির ওপরে বসবাস করতাম তা বিক্রি করে চিকিৎসা করেছি। এখন জালালপুর ইউনিয়নের কানাইদিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছি। এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। অন্যের জমিতে কাজ করে আমার সংসার চলে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালাতে আমার খুব কষ্ট হয়, কীভাবে মেয়েকে এখন ভর্তি করব তা আমি নিজেও জানি না।’
নয়মি সরকার বলেন, ‘আমার বাবা আমাদের দুই ভাই-বোনকে খুব কষ্ট করে পড়াশোনা করান। আমি এসএসসি ও এইচএসসিতে এ প্লাস পেয়েছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিক ইউনিটে ১৭৪৯তম স্থান অধিকার করেছি। টাকার অভাবে কোচিং করতে পারিনি, কোনো রকমে অনলাইনের মাধ্যমে কোচিং করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েও শুধু টাকার অভাবে ভর্তির ব্যাপারে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে আমার। আমি বিত্তবানদের কাছে ভর্তি ও লেখাপড়ার খরচের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।’

খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু বলেন, ‘র্থের অভাবে মেয়েটির বাবা এলাকা ছেড়ে কানাইদিয়া এলাকায় বসবাস করেস। তাঁর পড়াশোনায় সহযোগিতা করার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ করছি।’
জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক বলেন, ‘আমার এলাকা থেকে নয়মি সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। আমি তাঁকে আর্থিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৪ ঘণ্টা আগে
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ডে এক সপ্তাহ ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পানি না থাকায় ওয়ার্ডের কেবিন, ওয়াশরুম ও বাথরুম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে নিচতলা থেকে পানি এনে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হচ্ছে..
৫ ঘণ্টা আগে