রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সালিসের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মো. আবুল কালাম (৫০)। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার তৈছালা গ্রামে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে বিবাদ মীমাংসায় সালিসের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত ৯ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে আবুল কালাম আজ শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি তৈছালা গ্রামের আসলাম মিয়ার ছেলে। আবুল কালাম সালিসে সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, তৈছালার বাসিন্দা সাদ্দামের একটি গরু প্রতিবেশী মর্তুজা আলীর জমিতে ঢুকে ঘাস খায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার জন্য সালিস ডাকা হয়। গতকাল বিকেলে সালিস চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে ফের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন আবুল কালামসহ ৯ জন। তাঁদের প্রথমে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও একজনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কালামের মৃত্যু হয়।
গরুর মালিক সাদ্দামের ভাই শাহিন আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘ঘটনাটি তুচ্ছ ছিল। সালিসে সমঝোতার মাধ্যমেই সমাপ্তি ঘটেছিল। কিন্তু পূর্বপরিকল্পিতভাবে রহিম উল্লাহর ইন্ধনে আরিফ, আবছার, মৌমিন, দেলোয়ার, দাউদসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। এতে আমাদের লোকজন গুরুতর আহত হন। আর সালিস দেখতে আসা আবুল কালাম নিহত হন।’
ঘটনার বিষয়ে জানতে কয়েকজন অভিযুক্ত ব্যক্তির মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আবুল কালামের লাশ চট্টগ্রাম থেকে থানা এনে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সালিসের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মো. আবুল কালাম (৫০)। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার তৈছালা গ্রামে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে বিবাদ মীমাংসায় সালিসের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত ৯ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে আবুল কালাম আজ শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি তৈছালা গ্রামের আসলাম মিয়ার ছেলে। আবুল কালাম সালিসে সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, তৈছালার বাসিন্দা সাদ্দামের একটি গরু প্রতিবেশী মর্তুজা আলীর জমিতে ঢুকে ঘাস খায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার জন্য সালিস ডাকা হয়। গতকাল বিকেলে সালিস চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে ফের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন আবুল কালামসহ ৯ জন। তাঁদের প্রথমে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও একজনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কালামের মৃত্যু হয়।
গরুর মালিক সাদ্দামের ভাই শাহিন আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘ঘটনাটি তুচ্ছ ছিল। সালিসে সমঝোতার মাধ্যমেই সমাপ্তি ঘটেছিল। কিন্তু পূর্বপরিকল্পিতভাবে রহিম উল্লাহর ইন্ধনে আরিফ, আবছার, মৌমিন, দেলোয়ার, দাউদসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। এতে আমাদের লোকজন গুরুতর আহত হন। আর সালিস দেখতে আসা আবুল কালাম নিহত হন।’
ঘটনার বিষয়ে জানতে কয়েকজন অভিযুক্ত ব্যক্তির মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আবুল কালামের লাশ চট্টগ্রাম থেকে থানা এনে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৮ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১৩ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৬ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে