
খাগড়াছড়ির রামগড়ে চাকা বিস্ফোরণের পর সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের যাত্রীর অন্য বাসের খোলা ডালার ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার (১৮ মে) ভোরে রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের চাষীনগর এলাকার জালিয়াপাড়া-রামগড় সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যাত্রীর নাম শাহআলম (৩৬)। তিনি খাগড়াছড়ি সদর থানার শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা।
রামগড় থানা পুলিশ জানায়, খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকাগামী শান্তি পরিবহনের একটি বাসের চাকা বিস্ফোরিত হলে সেটি রাস্তার পাশে থামানো হয়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন জালিয়াপাড়া দিক থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের একটি এসি বাসের খোলা ডালা তাঁদের ধাক্কা দেয়। এতে শাহআলম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
আহত জোনায়েদ (২৫) ও রুবেল কর্মকারকে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

দুপুরে গোসল সেরে নতুন পোশাক পরে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সামনে বসেছিল সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু বন্ধন চন্দ্র রায়। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন বাবা প্রশান্ত চন্দ্র রায়, আর পেছনে বসেছিলেন দাদা নির্মল চন্দ্র রায়। গন্তব্য ছিল তুলসীহাটের একটি বিয়েবাড়ি। কিন্তু সেই পথ আর শেষ করা হলো না তাঁদের।
৩৯ মিনিট আগে
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৬ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
৭ ঘণ্টা আগে