
খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের বর্ষবিদায় ও নতুন বর্ষবরণের উৎসব চলছে। আজ শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে খবংপড়িয়া এলাকার চেঙ্গী নদীতে ফুল দেওয়া ও মোমবাতি প্রজ্বালন শেষে প্রার্থনা করে চাকমারা ফুল বিজু উৎসবের সূচনা করেন।
অন্ধকার কেটে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা ঐতিহ্যবাহী পিনোন-কাদি ও পুরুষেরা ধুতি পরে চেঙ্গী নদীর তীরে হাজির হন। জঙ্গল, মানুষের বাড়িতে বা নিজেদের বাড়ি থেকে ফুল সংগ্রহ করেন।
খবংপড়িয়া বাসিন্দা ছোটমণি চাকমা ও বিজরী চাকমা বলেন, ফুল বিজু এখন একটা মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। ছোট-বড় সবাই মিলে ফুল বিজুর দিনে খুব ভোরে পাড়ার বা নিজের বাড়ি থেকে ফুল সংগ্রহ করি। এরপর চেঙ্গী নদীর পাড়ে একটি বেদি তৈরি করে কলাপাতার ওপর ফুল সাজিয়ে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে ফুল দিয়ে থাকি। আমরা মা গঙ্গার কাছে প্রার্থনা করি পুরোনো বছরের দুঃখ-কষ্ট দূর করার জন্য। যত রোগব্যাধি আছে, পুরোনো বছরের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো যেন নির্মূল হয়ে যায়। আর নতুন বছর সবার জীবনে যেন সুখ-শান্তি ও মঙ্গল বয়ে আনে।
খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জীতেন চাকমা বলেন, ‘মানুষ যেন ভালোটা মনে রাখে এবং খারাপটা মনে না রাখে, সেই উদ্দেশ্যে নদীতে ফুল দিয়ে এই উৎসব পালন করি আমরা। ফুল বিজুর দিন যেমন নদীতে ফুল দেয়, তেমনি ফুলে ফুলে সাজানো হয় ঘর। ওই দিন সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়।’
জেলা পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, এই উৎসব ঘিরে পর্যাপ্ত পুলিশ থাকবে। তা ছাড়া গোয়েন্দা নিরাপত্তা আছে। ৯ উপজেলার থানাগুলোকে অবগত করা
হয়েছে।
আগামীকাল মূল বিজু উৎসব উদ্যাপন করবে চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ। এদিন ঘরে ঘরে ঐতিহ্যবাহী পাজন রান্না করে অতিথি আপ্যায়ন হবে।

বাগেরহাটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর কার্যনির্বাহী সদস্য মো. বেলাল হোসাইন অপু ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইনসাফ’-এর উদ্যোগে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়েছেন ছয় শতাধিক রোগী।
৫ মিনিট আগে
সমুদ্র উপকূলীয় খুলনার দাকোপ উপজেলার ১ নম্বর পানখালী ইউনিয়নের পানখালী গ্রামসহ দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। অপর দুটি গ্রাম হলো রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এবং দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।
৮ মিনিট আগে
‘বাংলাদেশের সীমানার মধ্যেই শুধু থাকি। পড়াশোনা, চিকিৎসা থেকে শুরু করে কোনো সুযোগ-সুবিধাই পাই না। পোলাপানগুলার পড়াশোনা বাধ্য হয়েই বন্ধ কইরা দিছি। বুনো হাতির আক্রমণ আর নানা দুঃখ-কষ্টের সঙ্গে যুদ্ধ কইরা প্রতিটা দিন পার করি।’
২৫ মিনিট আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে তিন মাসের মধ্যে অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এক বছরের বেশি সময় আগে। তবে সেই প্রকল্পের কাজ এখনো শুরুই হয়নি; বরং অস্থায়ী আবাসনের জন্য বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা দিয়ে এখন ১০ তলাবিশিষ্ট স্থায়ী ছাত্র হল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে...
৫ ঘণ্টা আগে