জয়পুরহাট প্রতিনিধি

গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবির শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের বাবার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় হুইপ স্বপনসহ আরও অন্তত সাতজনের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। এখনো মোবাইলগুলো উদ্ধার হয়নি।
জানা গেছে, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে সমবেদনা জানাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন অসংখ্য নেতা-কর্মী। এরই মাঝে সুযোগ বুঝে হুইপ স্বপনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ সাতজনের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে।
হুইপ স্বপন ছাড়াও দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল ইসলাম বুলু, পাঁচবিবির কুসুম্বা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জিহাদ হোসেন, আস্থা সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি সবুজ মণ্ডলসহ অন্তত সাতজনের মোবাইল ফোন চুরি হয়।
হুইপ স্বপনের ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম ইমরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও জানাজার নামাজের কোনো এক সময় হুইপের মোবাইলটি চুরি হয়ে যায়। এ পর্যন্ত তা উদ্ধার হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘হুইপের বাবার জানাজায় আমরা নেতা-কর্মীসহ হাজার হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলাম। শুনেছি জানাজার সময় হুইপের ব্যবহৃত মোবাইল হারিয়েছে। এ সময় হাকিমপুর, ক্ষেতলাল পৌর মেয়রসহ আরও কয়েকজনের মোবাইল চুরি হয়েছে। এতগুলো মোবাইল এক সঙ্গে চুরি হলেও এখন পর্যন্ত সেগুলো উদ্ধার না হওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন।’
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব সাংবাদিকদের বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হুইপের সঙ্গে ছিলাম। মোবাইল হারিয়েছে, এমন কথা তিনি আমাকে জানাননি। নেতা-কর্মী এবং গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। আর জানাজায় হাজার হাজার মানুষ উপস্থিতি ছিল। এ সময় অনেক নেতা-কর্মী হুইপ স্যারের সঙ্গে দেখা করছেন। অনেকে ছবিও তুলছেন। এর মাঝে হুইপ স্যারসহ আরও কয়েকজনের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে। পুলিশের এত নিরাপত্তার পরও কীভাবে এতগুলো মোবাইল হারিয়ে গেল এ বিষয়ে গভীর তদন্ত চলছে। আমরা তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন উদ্ধারের তৎপরতা চালাচ্ছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় হুইপ স্বপনের বাবা রাজধানীর শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। হুইপ স্বপনের বাবাকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জয়পুরহাট সদরের নিজ গ্রাম ধলাহার ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবির শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের বাবার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় হুইপ স্বপনসহ আরও অন্তত সাতজনের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। এখনো মোবাইলগুলো উদ্ধার হয়নি।
জানা গেছে, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে সমবেদনা জানাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন অসংখ্য নেতা-কর্মী। এরই মাঝে সুযোগ বুঝে হুইপ স্বপনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ সাতজনের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে।
হুইপ স্বপন ছাড়াও দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল ইসলাম বুলু, পাঁচবিবির কুসুম্বা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জিহাদ হোসেন, আস্থা সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি সবুজ মণ্ডলসহ অন্তত সাতজনের মোবাইল ফোন চুরি হয়।
হুইপ স্বপনের ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম ইমরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও জানাজার নামাজের কোনো এক সময় হুইপের মোবাইলটি চুরি হয়ে যায়। এ পর্যন্ত তা উদ্ধার হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘হুইপের বাবার জানাজায় আমরা নেতা-কর্মীসহ হাজার হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলাম। শুনেছি জানাজার সময় হুইপের ব্যবহৃত মোবাইল হারিয়েছে। এ সময় হাকিমপুর, ক্ষেতলাল পৌর মেয়রসহ আরও কয়েকজনের মোবাইল চুরি হয়েছে। এতগুলো মোবাইল এক সঙ্গে চুরি হলেও এখন পর্যন্ত সেগুলো উদ্ধার না হওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন।’
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব সাংবাদিকদের বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হুইপের সঙ্গে ছিলাম। মোবাইল হারিয়েছে, এমন কথা তিনি আমাকে জানাননি। নেতা-কর্মী এবং গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। আর জানাজায় হাজার হাজার মানুষ উপস্থিতি ছিল। এ সময় অনেক নেতা-কর্মী হুইপ স্যারের সঙ্গে দেখা করছেন। অনেকে ছবিও তুলছেন। এর মাঝে হুইপ স্যারসহ আরও কয়েকজনের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে। পুলিশের এত নিরাপত্তার পরও কীভাবে এতগুলো মোবাইল হারিয়ে গেল এ বিষয়ে গভীর তদন্ত চলছে। আমরা তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন উদ্ধারের তৎপরতা চালাচ্ছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় হুইপ স্বপনের বাবা রাজধানীর শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। হুইপ স্বপনের বাবাকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জয়পুরহাট সদরের নিজ গ্রাম ধলাহার ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে