Ajker Patrika

ব্যানারে নেই জিয়ার ছবি, ডিসিকে অপসারণের আলটিমেটাম ছাত্রদলের

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৩: ০৬
ব্যানারে নেই জিয়ার ছবি, ডিসিকে অপসারণের আলটিমেটাম ছাত্রদলের
জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করেছে জেলা ছাত্রদল। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে অপসারণ করা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

গতকাল শনিবার রাতে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলামের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ছবি রাখা হয়নি। এ ছাড়া এক বক্তা বারবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করলেও জেলা প্রশাসক নীরব ভূমিকা পালন করেন। এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় জেলা ছাত্রদল।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ মোবাইল ফোনে বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করে এ জন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন।

এদিকে জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্যানারটি জেলা প্রশাসক নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন। তবে তাঁরা আগে ব্যানার সম্পর্কে অবগত ছিলেন না; অনুষ্ঠানে এসে সেটি টাঙানো অবস্থায় দেখেছেন।

এ বিষয়ে জানতে আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার সরকারি মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার সকালে জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভার মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় প্রথম দফায় অসন্তোষ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযুক্ত করে অনুষ্ঠান শুরু করা হলেও এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত