ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে বিএনপির নিহত নেতা কর্মীর স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। আজ শুক্রবার শহরের শিশু পার্কে এ ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামসুজ্জামান দুদু। তবে এতে আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমানের উপস্থিত হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নেতা কর্মী অভিযোগ করেন, ইফতার মাহফিলের অর্থায়নেও ছিলেন তিনি। অপরদিকে বিএনপির ইফতার মাহফিলে তার উপস্থিতিতে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা।
আরও উপস্থিত ছিলেন–বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কণ্ডু, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা প্রমুখ।
ইফতারে যোগ দেওয়ার বিষয়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমান মাসুম মোবাইলে ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটা কোনো জনসভা না, শুধুই ইফতার মাহফিল। এখানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত সবাই যায়। এটা দোষের কি। আমি সামনে উপজেলা নির্বাচনে ভোট করব, তাই ইফতারে গেছি।’ এই বলে ফোনের লাইন কেটে দেন তিনি।
পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির ইফতারে আওয়ামী লীগ নেতাদের যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। যেখানে দুদু জনসভা ও টকশোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাজে কথা বলেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বাজে কথা বলে সেই দুদুর উপস্থিতিতে মাসুম সাহেবের যাওয়া উচিত হয়নি।’
পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দলের নেতা হিসেবে মিজানুর রহমান মাসুম বিএনপির মাহফিলে যেতে পারেন না। হয়তো তার ব্যক্তি স্বার্থের কারণে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।’ ভিন্ন কথা বলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলীয় পরিচয়ে না, একজন সুশীল সমাজের মানুষ ও ব্যবসায়ী হিসেবে আমাদের ইফতারে এসেছিল মিজানুর রহমান মাসুম। তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।
ইফতারে অর্থায়নের বিষয়ে এম এ মজিদ বলেন, ‘এই অভিযোগ সঠিক না। তবে বড় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে অসহযোগিতা পেয়ে থাকে। এতে কেউ অর্থায়ন করলে করতে পারে।’

ঝিনাইদহে বিএনপির নিহত নেতা কর্মীর স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। আজ শুক্রবার শহরের শিশু পার্কে এ ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামসুজ্জামান দুদু। তবে এতে আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমানের উপস্থিত হওয়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নেতা কর্মী অভিযোগ করেন, ইফতার মাহফিলের অর্থায়নেও ছিলেন তিনি। অপরদিকে বিএনপির ইফতার মাহফিলে তার উপস্থিতিতে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা।
আরও উপস্থিত ছিলেন–বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কণ্ডু, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা প্রমুখ।
ইফতারে যোগ দেওয়ার বিষয়ে পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমান মাসুম মোবাইলে ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটা কোনো জনসভা না, শুধুই ইফতার মাহফিল। এখানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত সবাই যায়। এটা দোষের কি। আমি সামনে উপজেলা নির্বাচনে ভোট করব, তাই ইফতারে গেছি।’ এই বলে ফোনের লাইন কেটে দেন তিনি।
পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির ইফতারে আওয়ামী লীগ নেতাদের যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। যেখানে দুদু জনসভা ও টকশোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাজে কথা বলেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে বাজে কথা বলে সেই দুদুর উপস্থিতিতে মাসুম সাহেবের যাওয়া উচিত হয়নি।’
পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দলের নেতা হিসেবে মিজানুর রহমান মাসুম বিএনপির মাহফিলে যেতে পারেন না। হয়তো তার ব্যক্তি স্বার্থের কারণে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।’ ভিন্ন কথা বলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলীয় পরিচয়ে না, একজন সুশীল সমাজের মানুষ ও ব্যবসায়ী হিসেবে আমাদের ইফতারে এসেছিল মিজানুর রহমান মাসুম। তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।
ইফতারে অর্থায়নের বিষয়ে এম এ মজিদ বলেন, ‘এই অভিযোগ সঠিক না। তবে বড় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে অসহযোগিতা পেয়ে থাকে। এতে কেউ অর্থায়ন করলে করতে পারে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে