আরিফ রহমান, ঝালকাঠি

ঝালকাঠি সদর উপজেলার সরকারি অফিস ভবনের একটি অব্যবহৃত ছাদ এখন রূপ নিয়েছে একখণ্ড সবুজ কৃষিজমিতে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মেদের নিজস্ব উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই ছাদবাগানে ফল-সবজির মেলবন্ধনে ছাদটি হয়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী কৃষিক্ষেত্র।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে সরেজমিন সদর উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ছাদে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে টব, ড্রাম ও বোতলে সাজানো হয়েছে আম, মাল্টা, লেবু, পেঁপে, সফেদাসহ নানা জাতের ফলের গাছ। পাশাপাশি রয়েছে ঢ্যাঁড়স, শসা, করলা, চিচিঙ্গা, চালকুমড়ার মতো দেশীয় সবজির সারি। প্রতিটি গাছে টসটসে ফল ঝুলছে—পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা ছাদ যেন এক মিনি কৃষিভূমি।
কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বলেন, ‘এই ছাদটি বহুদিন ধরে পরিত্যক্ত ছিল। ভাবলাম, এখানে যদি কৃষিকাজ করি, তাহলে জায়গার সদ্ব্যবহার হবে, আবার মানুষও উৎসাহিত হবে। আমি নিজেই টব, ড্রাম, বোতল সংগ্রহ করে গাছ লাগানো শুরু করি। এখন পুরো ছাদটাই যেন একখণ্ড খামার।’
তিনি জানান, এখানে কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। গাছের পরিচর্যায় ব্যবহার করা হয় প্রাকৃতিক জৈব সার ও ভার্মিকম্পোস্ট। ফলে ফসলগুলো সম্পূর্ণ বিষমুক্ত, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর।
এই ব্যতিক্রমী ছাদবাগান দেখতে প্রতিদিনই ছুটে আসছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ পরামর্শ নিচ্ছেন, আবার কেউ নিজ বাড়ির ছাদে সবুজ প্রকল্প শুরু করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।
আলী আহম্মেদ বলেন, ‘আমি চাই, শহরের প্রতিটি বাড়ির ছাদ সবুজে ঢাকা থাকুক। এতে নিজের চাহিদা মেটানো যাবে, পরিবেশও রক্ষা পাবে।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরাঞ্চলে জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে, ফাঁকা জায়গা কমে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ছাদবাগান হতে পারে শহুরে কৃষির টেকসই ও কার্যকর এক পথ। এটি খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি বায়ুদূষণ হ্রাস, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখবে।
সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ উৎসাহিত করা গেলে নগরজুড়ে এক নতুন সবুজ বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মেদের এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিয়েছে, অফিসের গণ্ডি পেরিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব—যদি সদিচ্ছা থাকে।

ঝালকাঠি সদর উপজেলার সরকারি অফিস ভবনের একটি অব্যবহৃত ছাদ এখন রূপ নিয়েছে একখণ্ড সবুজ কৃষিজমিতে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মেদের নিজস্ব উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই ছাদবাগানে ফল-সবজির মেলবন্ধনে ছাদটি হয়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী কৃষিক্ষেত্র।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে সরেজমিন সদর উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ছাদে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে টব, ড্রাম ও বোতলে সাজানো হয়েছে আম, মাল্টা, লেবু, পেঁপে, সফেদাসহ নানা জাতের ফলের গাছ। পাশাপাশি রয়েছে ঢ্যাঁড়স, শসা, করলা, চিচিঙ্গা, চালকুমড়ার মতো দেশীয় সবজির সারি। প্রতিটি গাছে টসটসে ফল ঝুলছে—পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা ছাদ যেন এক মিনি কৃষিভূমি।
কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বলেন, ‘এই ছাদটি বহুদিন ধরে পরিত্যক্ত ছিল। ভাবলাম, এখানে যদি কৃষিকাজ করি, তাহলে জায়গার সদ্ব্যবহার হবে, আবার মানুষও উৎসাহিত হবে। আমি নিজেই টব, ড্রাম, বোতল সংগ্রহ করে গাছ লাগানো শুরু করি। এখন পুরো ছাদটাই যেন একখণ্ড খামার।’
তিনি জানান, এখানে কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। গাছের পরিচর্যায় ব্যবহার করা হয় প্রাকৃতিক জৈব সার ও ভার্মিকম্পোস্ট। ফলে ফসলগুলো সম্পূর্ণ বিষমুক্ত, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর।
এই ব্যতিক্রমী ছাদবাগান দেখতে প্রতিদিনই ছুটে আসছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ পরামর্শ নিচ্ছেন, আবার কেউ নিজ বাড়ির ছাদে সবুজ প্রকল্প শুরু করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।
আলী আহম্মেদ বলেন, ‘আমি চাই, শহরের প্রতিটি বাড়ির ছাদ সবুজে ঢাকা থাকুক। এতে নিজের চাহিদা মেটানো যাবে, পরিবেশও রক্ষা পাবে।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরাঞ্চলে জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে, ফাঁকা জায়গা কমে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ছাদবাগান হতে পারে শহুরে কৃষির টেকসই ও কার্যকর এক পথ। এটি খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি বায়ুদূষণ হ্রাস, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখবে।
সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ উৎসাহিত করা গেলে নগরজুড়ে এক নতুন সবুজ বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহম্মেদের এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিয়েছে, অফিসের গণ্ডি পেরিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব—যদি সদিচ্ছা থাকে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৩ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২২ মিনিট আগে