অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে আল মদিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে তদন্ত কমিটি গঠন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান।
তিনি বলেন, গত ৩০ জুলাই দুপুরে আল-মদিনা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে একটি নবজাতক ছেলে সন্তানের মৃত্যু হয়। নবজাতকটির ফুপু জেসমিন খাতুন একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির তিন সদস্য হলেন—উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়ার কনসালট্যান্ট (শিশু) জসীম উদ্দীনকে সভাপতি করে চিকিৎসক কর্মকর্তা খন্দকার মামুন অর রশিদ ও জুনিয়ার কনসালট্যান্ট (এ্যানেস) মো. দিদার এ ইলাহী ইমু।
তিনি আরও বলেন, এই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তদন্ত করার পরেই বলা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ।
উপজেলার বুইকারি গ্রামের জেসমিন খাতুন বলেন, গত ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে আল মদিনা হাসপাতালে ভাবিকে ভর্তি করা হয়। রাতে সিজারিয়ানে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এ সময় মা ও নবজাতক শিশু সুস্থ থাকে। শুক্রবার সকালে নবজাতক শিশুটি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন হাসপাতালের নার্সদের ডাকলে তারা কেউ আসেনি। তাদের গাফিলতির কারণে এই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
আল-মদিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের মালিক নাজমুল হুদা বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। রোগীর পরিবার আমার পূর্ব পরিচিত। আমি রোগীর পরিবারকে বলেছিলাম রোগীর অবস্থা ভালো না আপনারা অন্য কোথাও নিয়ে যান। কিন্তু তারা আমার হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা করাবেন বলে জানান। আমি রোগীর চিকিৎসা করতে কোনো গাফিলতি করি নাই।’

যশোরের অভয়নগরে আল মদিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে তদন্ত কমিটি গঠন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান।
তিনি বলেন, গত ৩০ জুলাই দুপুরে আল-মদিনা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে একটি নবজাতক ছেলে সন্তানের মৃত্যু হয়। নবজাতকটির ফুপু জেসমিন খাতুন একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির তিন সদস্য হলেন—উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়ার কনসালট্যান্ট (শিশু) জসীম উদ্দীনকে সভাপতি করে চিকিৎসক কর্মকর্তা খন্দকার মামুন অর রশিদ ও জুনিয়ার কনসালট্যান্ট (এ্যানেস) মো. দিদার এ ইলাহী ইমু।
তিনি আরও বলেন, এই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তদন্ত করার পরেই বলা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ।
উপজেলার বুইকারি গ্রামের জেসমিন খাতুন বলেন, গত ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে আল মদিনা হাসপাতালে ভাবিকে ভর্তি করা হয়। রাতে সিজারিয়ানে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এ সময় মা ও নবজাতক শিশু সুস্থ থাকে। শুক্রবার সকালে নবজাতক শিশুটি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন হাসপাতালের নার্সদের ডাকলে তারা কেউ আসেনি। তাদের গাফিলতির কারণে এই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
আল-মদিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের মালিক নাজমুল হুদা বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। রোগীর পরিবার আমার পূর্ব পরিচিত। আমি রোগীর পরিবারকে বলেছিলাম রোগীর অবস্থা ভালো না আপনারা অন্য কোথাও নিয়ে যান। কিন্তু তারা আমার হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা করাবেন বলে জানান। আমি রোগীর চিকিৎসা করতে কোনো গাফিলতি করি নাই।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১০ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৩ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৪ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩২ মিনিট আগে