
যশোরের মনিরামপুরে চলতি বছর পাটের বাম্পার ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি না হওয়ায় খেতেই শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে গাছ। একাধিকবার সেচ দিয়েও খেত বাঁচাতে পারছেন না চাষিরা। আষাঢ়-শ্রাবণে বর্ষার পুরো মৌসুম হলেও এ বছর এখনো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। মাঠঘাটসহ চারদিক শুকিয়ে গেছে। ফলে খরায় পাটগাছের পাতা শুকিয়ে কুঁচকে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৫ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৫ হাজার ২০০ হেক্টর। দাম বেশি পেয়ে গত দুই বছরে পাট চাষে ঝুঁকেছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা। এ বছর উপজেলার ঝাঁপা, পৌর এলাকা, খেদাপাড়া, শ্যামকুড়, চালুয়াহাটি ও মশ্মিমনগর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পাটের আবাদ হয়েছে। পাট গবেষণায় খরাসহিষ্ণু রবি-১ ও ইন্ডিয়ান জাতের পাটের চাষ বেশি করা হয়েছে। তবে এবারের খরায় পাটখেত বাঁচাতে পারছেন না চাষিরা।
গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার কদমবাড়িয়া, বাকোশপোল, দেবিদাসপুর ও হাকোবা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পাটগাছগুলো শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। এরই মধ্যে যেসব জমিতে বেলেমাটির পরিমাণ বেশি, সেসব খেতের পাটগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে দুশ্চিন্তায় আছেন চাষিরা। শুধু তাই নয়, আর কদিন পরে পাট কাটা শুরু হবে। ভরা মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খালবিল, ডোবা-নালায় পানি জমেনি। ফলে পাট কেটে জাগ দেওয়া নিয়েও চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা। কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওনা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে দিন কাটছে তাঁদের।
কৃষকেরা জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে আকাশে মেঘ জমছে। এরপর কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ে মেঘ সরে যাচ্ছে। তা ছাড়া এখন চৈত্র মাসের মতো রোদ ও গরম পড়ছে। বৃষ্টি না হওয়ায় একদিকে যেমন মাঠে পাটগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা না মেলায় আমন চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। আমনের বীজতলা তৈরি হলেও বৃষ্টির অভাবে চারা খেতে রোপণ করা যাচ্ছে না।
কদমবাড়িয়া গ্রামের চাষি ওমর আলী বলেন, ‘আমি ১০ কাঠা জমিতে পাট চাষ করেছি। বৃষ্টির অভাবে খেতের অর্ধেক অংশে পাটগাছ শুকিয়ে গেছে। কয়েকবার সেচ দিয়েও কাজ হচ্ছে না।’
মামুদকাটি গ্রামের চাষি আবু হানিফ বলেন, ‘আমি তিন বিঘায় পাট চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির অভাবে ২৫ কাঠা জমির পাটগাছ শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় পাট কেটে ফেলব বলে ভাবছি। কিন্তু খালবিল শুকনো থাকায় সেটাও সম্ভব হচ্ছে না।’
মনিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, দাম ভালো হওয়ায় এবার উপজেলায় পাটের চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। চাষিরা দাম বেশি পাওয়ায় পাট চাষে ঝুঁকছেন। তা ছাড়া অনেকে তিলের চাষ বাদ দিয়ে পাটের আবাদ করেছেন।
পাটগাছ মরে যাওয়ার বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা বলেন, শুধু খরা না, নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পাটগাছ মারে যেতে পারে। তবে আক্রান্তের হার খুব বেশি না হওয়ায় এসংক্রান্ত কোনো তথ্য আমাদের দপ্তরে নেই।

যশোরের মনিরামপুরে চলতি বছর পাটের বাম্পার ফলন হলেও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি না হওয়ায় খেতেই শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে গাছ। একাধিকবার সেচ দিয়েও খেত বাঁচাতে পারছেন না চাষিরা। আষাঢ়-শ্রাবণে বর্ষার পুরো মৌসুম হলেও এ বছর এখনো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। মাঠঘাটসহ চারদিক শুকিয়ে গেছে। ফলে খরায় পাটগাছের পাতা শুকিয়ে কুঁচকে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৫ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৫ হাজার ২০০ হেক্টর। দাম বেশি পেয়ে গত দুই বছরে পাট চাষে ঝুঁকেছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা। এ বছর উপজেলার ঝাঁপা, পৌর এলাকা, খেদাপাড়া, শ্যামকুড়, চালুয়াহাটি ও মশ্মিমনগর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পাটের আবাদ হয়েছে। পাট গবেষণায় খরাসহিষ্ণু রবি-১ ও ইন্ডিয়ান জাতের পাটের চাষ বেশি করা হয়েছে। তবে এবারের খরায় পাটখেত বাঁচাতে পারছেন না চাষিরা।
গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার কদমবাড়িয়া, বাকোশপোল, দেবিদাসপুর ও হাকোবা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পাটগাছগুলো শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। এরই মধ্যে যেসব জমিতে বেলেমাটির পরিমাণ বেশি, সেসব খেতের পাটগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে দুশ্চিন্তায় আছেন চাষিরা। শুধু তাই নয়, আর কদিন পরে পাট কাটা শুরু হবে। ভরা মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খালবিল, ডোবা-নালায় পানি জমেনি। ফলে পাট কেটে জাগ দেওয়া নিয়েও চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা। কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওনা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে দিন কাটছে তাঁদের।
কৃষকেরা জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে আকাশে মেঘ জমছে। এরপর কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ে মেঘ সরে যাচ্ছে। তা ছাড়া এখন চৈত্র মাসের মতো রোদ ও গরম পড়ছে। বৃষ্টি না হওয়ায় একদিকে যেমন মাঠে পাটগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা না মেলায় আমন চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। আমনের বীজতলা তৈরি হলেও বৃষ্টির অভাবে চারা খেতে রোপণ করা যাচ্ছে না।
কদমবাড়িয়া গ্রামের চাষি ওমর আলী বলেন, ‘আমি ১০ কাঠা জমিতে পাট চাষ করেছি। বৃষ্টির অভাবে খেতের অর্ধেক অংশে পাটগাছ শুকিয়ে গেছে। কয়েকবার সেচ দিয়েও কাজ হচ্ছে না।’
মামুদকাটি গ্রামের চাষি আবু হানিফ বলেন, ‘আমি তিন বিঘায় পাট চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির অভাবে ২৫ কাঠা জমির পাটগাছ শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় পাট কেটে ফেলব বলে ভাবছি। কিন্তু খালবিল শুকনো থাকায় সেটাও সম্ভব হচ্ছে না।’
মনিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, দাম ভালো হওয়ায় এবার উপজেলায় পাটের চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। চাষিরা দাম বেশি পাওয়ায় পাট চাষে ঝুঁকছেন। তা ছাড়া অনেকে তিলের চাষ বাদ দিয়ে পাটের আবাদ করেছেন।
পাটগাছ মরে যাওয়ার বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা বলেন, শুধু খরা না, নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পাটগাছ মারে যেতে পারে। তবে আক্রান্তের হার খুব বেশি না হওয়ায় এসংক্রান্ত কোনো তথ্য আমাদের দপ্তরে নেই।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বউভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি কনের নানি। এ ঘটনায় তিনজন আহত হন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার বাদামতলা এলাকায় বারইয়ারহাট-রামগড় সড়কের এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
সিলেট-৫ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের কথা উল্লেখ করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যাখ্যা আগামীকাল বুধবার তাঁকে সশরীরে আদালতে তলব করা হয়েছে। আসনটির নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেয়েছেন গেজেটভুক্ত ৯ জুলাই যোদ্ধা। তাঁদেরকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ)। গত ১২ জানুয়ারি তাঁদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে