
যশোরের মনিরামপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী আকবর সানার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা অপমৃত্যু মামলা ৬ মাস পর অবশেষে হত্যা মামলায় রূপ দিয়েছে। এ ঘটনায় আকবরের স্ত্রী রহিমা বেগমকে (৩২) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
আজ শনিবার দুপুরে আদালত রহিমাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার আকবরের ভাই আদম শফিউল্লাহ বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাতেই পিবিআই কেশবপুরের সাতবাড়িয়া থেকে রহিমাকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার দুপুরে পিবিআই রহিমাকে যশোর আদালতের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা বসুর আদালতে হাজির করলে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন রহিমা বেগম।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুরের পারখাজুরা গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে আকবর সানা পেশায় ছিলেন ভাঙারি ব্যবসায়ী। তিনি অধিকাংশ সময় বাড়ির বাইরে থাকতেন। নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য থাকায় সুখ ছিল না আকবর ও রহিমার সংসারে। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাট জেলা থেকে ব্যবসা শেষে বাড়ি ফেরেন আকবার। এর এক সপ্তাহ পর ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে আকবর সানা স্ত্রীকে একান্তে পেতে চাইলে রহিমা রাজি হননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে মারপিট করেন আকবর। তখন স্বামীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আকবর সানার মুখে আঘাত করেন রহিমা। ধস্তাধস্তির সময় আকবর সানা শয়নরত খাটের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। একপর্যায়ে রহিমা বেগম নিজের ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে স্বামীকে হত্যা করেন।
পুলিশ বলছে, তখন ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে স্বামীর লাশের পাশে বসে কান্না শুরু করেন রহিমা বেগম। কান্নার শব্দ শুনে বাড়ির আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে লোকজন ধাক্কা দিয়ে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় আকবর সানাকে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন রহিমা বেগম স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রচার দেন। এ ঘটনায় তখন মনিরামপুর থানায় অপমৃত্যু মামলা হলে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠায়। পরে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে পুলিশ জানতে পারে আত্মহত্যা নয়; আকবর সানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে শুক্রবার মনিরামপুর থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই আদম শফিউল্লাহ।
পিবিআই যশোরের পরিদর্শক হিরোন্ময় সরকার বলেন, গ্রেপ্তারের পর স্বামীকে হত্যার ঘটনায় আজ শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রহিমা বেগম। এরপর আদালত তাঁকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।
মনিরামপুর থানার ইনচার্জ (ওসি) নূর-ই-আলম সিদ্দীকি হত্যা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পিবিআই মামলা তদন্ত করছে।

যশোরের মনিরামপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী আকবর সানার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা অপমৃত্যু মামলা ৬ মাস পর অবশেষে হত্যা মামলায় রূপ দিয়েছে। এ ঘটনায় আকবরের স্ত্রী রহিমা বেগমকে (৩২) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
আজ শনিবার দুপুরে আদালত রহিমাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার আকবরের ভাই আদম শফিউল্লাহ বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাতেই পিবিআই কেশবপুরের সাতবাড়িয়া থেকে রহিমাকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার দুপুরে পিবিআই রহিমাকে যশোর আদালতের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা বসুর আদালতে হাজির করলে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন রহিমা বেগম।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুরের পারখাজুরা গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে আকবর সানা পেশায় ছিলেন ভাঙারি ব্যবসায়ী। তিনি অধিকাংশ সময় বাড়ির বাইরে থাকতেন। নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য থাকায় সুখ ছিল না আকবর ও রহিমার সংসারে। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাট জেলা থেকে ব্যবসা শেষে বাড়ি ফেরেন আকবার। এর এক সপ্তাহ পর ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে আকবর সানা স্ত্রীকে একান্তে পেতে চাইলে রহিমা রাজি হননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে মারপিট করেন আকবর। তখন স্বামীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আকবর সানার মুখে আঘাত করেন রহিমা। ধস্তাধস্তির সময় আকবর সানা শয়নরত খাটের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। একপর্যায়ে রহিমা বেগম নিজের ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে স্বামীকে হত্যা করেন।
পুলিশ বলছে, তখন ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে স্বামীর লাশের পাশে বসে কান্না শুরু করেন রহিমা বেগম। কান্নার শব্দ শুনে বাড়ির আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে লোকজন ধাক্কা দিয়ে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় আকবর সানাকে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন রহিমা বেগম স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রচার দেন। এ ঘটনায় তখন মনিরামপুর থানায় অপমৃত্যু মামলা হলে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠায়। পরে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে পুলিশ জানতে পারে আত্মহত্যা নয়; আকবর সানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে শুক্রবার মনিরামপুর থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই আদম শফিউল্লাহ।
পিবিআই যশোরের পরিদর্শক হিরোন্ময় সরকার বলেন, গ্রেপ্তারের পর স্বামীকে হত্যার ঘটনায় আজ শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রহিমা বেগম। এরপর আদালত তাঁকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।
মনিরামপুর থানার ইনচার্জ (ওসি) নূর-ই-আলম সিদ্দীকি হত্যা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পিবিআই মামলা তদন্ত করছে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১৮ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২০ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২২ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে