যশোর প্রতিনিধি

বিএনপির আন্দোলন হবে ডু অর ডাই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। আজ মঙ্গলবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা ঝিনাইদহ থেকে খুলনা অভিমুখে রোডমার্চে যশোরে এক পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘জনগণের ওপর আওয়ামী লীগের অন্যায়-দুঃশাসন এখন আর হোমিওপ্যাথিতে কাজ হবে না। ওদের লাগবে সার্জারি। ঠিক বিএনপির আন্দোলনও হবে ডু অর ডাই। আমরা বাংলাদেশের মানুষকে মুক্ত করতে চাই। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চাই। জনগণ যদি মুক্ত হয়, খালেদা জিয়াও মুক্ত হবে। গণতন্ত্র মুক্ত না হলে খালেদা জিয়া মুক্ত হবে না।’
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যুদ্ধের ডাক দিয়েছিল; সেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই স্বাধীন দেশে আজ গণতন্ত্র শেষ করেছে শেখ হাসিনা। সেই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত আমরা মার খাচ্ছি। আর মার খাওয়ার সময় নেই, আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে; মানুষকে আঘাত করলে কেমন ব্যথা লাগে! এই আঘাত গণতান্ত্রিক; এটা অন্যায় নয়! কেননা আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে।’
বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, ‘আমার মতো মানুষকেও আজকাল মাথায় বাড়ি দিয়েছে। তার পরেও পথ ছেড়ে চলে গেছি! না.... । পথেই যেহেতু নেমেছি; পথেই দাবি আদায় করেই বাড়ি ফিরব। সুতরাং প্রস্তুত হন, ওদের হাতে আছে লাঠি; আমাদের মা-বোনদের হাতে ঝাড়ু। ওদের ঝাড়ু মেরে বিদায় করতে হবে।’
ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘আপনাদের সময় শেষ। জনগণ রাজপথে নেমেছে। পালানোর সময় পাবেন না। ভালোয় ভালোয় মুক্তি দেন। তা না হলে জেলখানা ভেঙে বাংলার মানুষ দেশনেত্রীকে মুক্ত করবে। এটাই প্রথম, এটাই শেষ দাবি। পদত্যাগ (শেখ হাসিনা) আপনাকে করতে হবেই। আর কয়েক দিন পরেই দেশ কীভাবে চলবে ঠিক করবে বিএনপি।’
যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস। বক্তব্য দেন ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
এর আগে সকালে ঝিনাইদহ থেকে শুরু হয় রোডমার্চ। পরে মাগুরা-যশোর সড়কের শেখপাড়া মসজিদের সামনে পথসভা হয়। এ সময় মহাসড়কে প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। বিএনপি নেতারা জানান, মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়ায় পথসভা শেষে যশোরের বাঘারপাড়ার পুলেরহাট বাজারে আরও একটি পথসভা হয়। এরপর যশোর শহরের মুড়লি ও অভয়নগরে পথসভা করে খুলনা অভিমুখী যায় রোডমার্চটি। কয়েক হাজার পিকআপ, ট্রাক, বাস ছাড়াও শতাধিক মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল নিয়ে ১০-১৫ হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে রোডমার্চটি খুলনার শিববাড়ি মোড়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডমার্চ শেষ হবে।

বিএনপির আন্দোলন হবে ডু অর ডাই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। আজ মঙ্গলবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা ঝিনাইদহ থেকে খুলনা অভিমুখে রোডমার্চে যশোরে এক পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘জনগণের ওপর আওয়ামী লীগের অন্যায়-দুঃশাসন এখন আর হোমিওপ্যাথিতে কাজ হবে না। ওদের লাগবে সার্জারি। ঠিক বিএনপির আন্দোলনও হবে ডু অর ডাই। আমরা বাংলাদেশের মানুষকে মুক্ত করতে চাই। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চাই। জনগণ যদি মুক্ত হয়, খালেদা জিয়াও মুক্ত হবে। গণতন্ত্র মুক্ত না হলে খালেদা জিয়া মুক্ত হবে না।’
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যুদ্ধের ডাক দিয়েছিল; সেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই স্বাধীন দেশে আজ গণতন্ত্র শেষ করেছে শেখ হাসিনা। সেই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত আমরা মার খাচ্ছি। আর মার খাওয়ার সময় নেই, আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে; মানুষকে আঘাত করলে কেমন ব্যথা লাগে! এই আঘাত গণতান্ত্রিক; এটা অন্যায় নয়! কেননা আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে।’
বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, ‘আমার মতো মানুষকেও আজকাল মাথায় বাড়ি দিয়েছে। তার পরেও পথ ছেড়ে চলে গেছি! না.... । পথেই যেহেতু নেমেছি; পথেই দাবি আদায় করেই বাড়ি ফিরব। সুতরাং প্রস্তুত হন, ওদের হাতে আছে লাঠি; আমাদের মা-বোনদের হাতে ঝাড়ু। ওদের ঝাড়ু মেরে বিদায় করতে হবে।’
ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘আপনাদের সময় শেষ। জনগণ রাজপথে নেমেছে। পালানোর সময় পাবেন না। ভালোয় ভালোয় মুক্তি দেন। তা না হলে জেলখানা ভেঙে বাংলার মানুষ দেশনেত্রীকে মুক্ত করবে। এটাই প্রথম, এটাই শেষ দাবি। পদত্যাগ (শেখ হাসিনা) আপনাকে করতে হবেই। আর কয়েক দিন পরেই দেশ কীভাবে চলবে ঠিক করবে বিএনপি।’
যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস। বক্তব্য দেন ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
এর আগে সকালে ঝিনাইদহ থেকে শুরু হয় রোডমার্চ। পরে মাগুরা-যশোর সড়কের শেখপাড়া মসজিদের সামনে পথসভা হয়। এ সময় মহাসড়কে প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। বিএনপি নেতারা জানান, মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়ায় পথসভা শেষে যশোরের বাঘারপাড়ার পুলেরহাট বাজারে আরও একটি পথসভা হয়। এরপর যশোর শহরের মুড়লি ও অভয়নগরে পথসভা করে খুলনা অভিমুখী যায় রোডমার্চটি। কয়েক হাজার পিকআপ, ট্রাক, বাস ছাড়াও শতাধিক মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল নিয়ে ১০-১৫ হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে রোডমার্চটি খুলনার শিববাড়ি মোড়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডমার্চ শেষ হবে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৯ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
১৯ মিনিট আগে