
যশোরের মনিরামপুরে হরিহর নদ খুঁড়ে বালু তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, রোহিতা ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন নিজেরে এক্সকাভেটর মেশিন লাগিয়ে নদ থেকে বালু তুলছেন।
এক্সকাভেটরে বালু তোলায় নদে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে এ অঞ্চলের পাড় ভেঙে ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে নদের দুই পাড়ের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে নদ থেকে বালু তোলায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোহিতা ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন রাজবাড়িয়া ও এড়েন্দা গ্রামের কয়েকজনকে দিয়ে ৮-১০ দিন ধরে রাজবাড়িয়া মোল্লাপাড়ায় হরিহর নদ গভীর করে খুঁড়ে বালু তুলছেন। এক্সকাভেটর দিয়ে নদ ২০-৩০ ফুট গভীর করে বালু তোলায় পাড়ের জমি ভেঙে নিচে চলে যাচ্ছে।
আজ শনিবার দুপুরে সরেজমিন রাজবাড়িয়া মোল্লাপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, হরিহর নদের শুকিয়ে যাওয়া জায়গায় একটি এক্সকাভেটর চলছে। নদের ভেতরে ও পাড়ে রাখা আছে পাঁচ-ছয়টি বালু টানা বড় ট্রলি। নদের পাড়ে বসে কাজ তদারকি করছেন রোহিতা ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজবাড়িয়া গ্রামের এক ব্যক্তি বলেন, রোহিতা ইউনিয়নে কয়েক কোটি টাকার রাস্তার কাজ এসেছে। সেসব রাস্তায় বালু দেওয়ার জন্য চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন হরিহর নদ থেকে বালু তুলে পাড়ে জমা করে রাখছেন।
চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি ১০ গাড়ি বালু তুলতে চাচ্ছিলাম। এখন আর তোলাব না। আমি কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাচ্ছি না। এক্সকাভেটর তুলে নেব। অনেকেই হরিহর নদ থেকে বালু তুলেছেন।’
মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলব।’
উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলী হাসান বলেন, ‘নদ খুঁড়ে বালু তোলার বিষয়টি জানতে পেরে আমি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। বন্ধ না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

যশোরের মনিরামপুরে হরিহর নদ খুঁড়ে বালু তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, রোহিতা ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন নিজেরে এক্সকাভেটর মেশিন লাগিয়ে নদ থেকে বালু তুলছেন।
এক্সকাভেটরে বালু তোলায় নদে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বর্ষা মৌসুমে এ অঞ্চলের পাড় ভেঙে ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে নদের দুই পাড়ের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে নদ থেকে বালু তোলায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোহিতা ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন রাজবাড়িয়া ও এড়েন্দা গ্রামের কয়েকজনকে দিয়ে ৮-১০ দিন ধরে রাজবাড়িয়া মোল্লাপাড়ায় হরিহর নদ গভীর করে খুঁড়ে বালু তুলছেন। এক্সকাভেটর দিয়ে নদ ২০-৩০ ফুট গভীর করে বালু তোলায় পাড়ের জমি ভেঙে নিচে চলে যাচ্ছে।
আজ শনিবার দুপুরে সরেজমিন রাজবাড়িয়া মোল্লাপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, হরিহর নদের শুকিয়ে যাওয়া জায়গায় একটি এক্সকাভেটর চলছে। নদের ভেতরে ও পাড়ে রাখা আছে পাঁচ-ছয়টি বালু টানা বড় ট্রলি। নদের পাড়ে বসে কাজ তদারকি করছেন রোহিতা ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজবাড়িয়া গ্রামের এক ব্যক্তি বলেন, রোহিতা ইউনিয়নে কয়েক কোটি টাকার রাস্তার কাজ এসেছে। সেসব রাস্তায় বালু দেওয়ার জন্য চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন হরিহর নদ থেকে বালু তুলে পাড়ে জমা করে রাখছেন।
চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি ১০ গাড়ি বালু তুলতে চাচ্ছিলাম। এখন আর তোলাব না। আমি কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাচ্ছি না। এক্সকাভেটর তুলে নেব। অনেকেই হরিহর নদ থেকে বালু তুলেছেন।’
মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলব।’
উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলী হাসান বলেন, ‘নদ খুঁড়ে বালু তোলার বিষয়টি জানতে পেরে আমি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। বন্ধ না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৭ ঘণ্টা আগে