যশোর ও অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া তরিকুল ইসলাম (৫০) নামের এক ঘের ব্যবসায়ীকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের বাড়েদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৮টার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। মৎস্য ঘের নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল), অভয়নগর থানা-পুলিশ, ডিবি, স্থানীয় দুটি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
নিহত তরিকুল ইসলাম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ধোপাদী গ্রামের মৃত ইব্রাহিম সরদারের ছেলে। তিনি নওয়াপাড়া পৌর কৃষক দলের সভাপতি এবং স্থানীয় ঘের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের বাড়েদা গ্রামে মাছের ঘের রয়েছে তরিকুল ইসলামের। এই ঘের নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে তরিকুল ইসলামের বিরোধ বাধে। আজ সন্ধ্যায় ওই পক্ষের লোকজন তরিকুলকে ডহর মশিয়াহাটি গ্রামের পিল্টু বিশ্বাসের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়।
সেখানে ঘেরের হারির টাকার ডিট (চুক্তি) করা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছয়-সাতজন দুর্বৃত্ত তরিকুল ইসলামকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে তারা স্থানীয় বাজারের কয়েকটি দোকানে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভয়নগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৮টার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার পর পিল্টু বিশ্বাসের বাড়ি লোকজন পালিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গ্রামের মাছের ঘের নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া তরিকুল ইসলাম (৫০) নামের এক ঘের ব্যবসায়ীকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের বাড়েদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৮টার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। মৎস্য ঘের নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল), অভয়নগর থানা-পুলিশ, ডিবি, স্থানীয় দুটি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
নিহত তরিকুল ইসলাম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ধোপাদী গ্রামের মৃত ইব্রাহিম সরদারের ছেলে। তিনি নওয়াপাড়া পৌর কৃষক দলের সভাপতি এবং স্থানীয় ঘের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের বাড়েদা গ্রামে মাছের ঘের রয়েছে তরিকুল ইসলামের। এই ঘের নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে তরিকুল ইসলামের বিরোধ বাধে। আজ সন্ধ্যায় ওই পক্ষের লোকজন তরিকুলকে ডহর মশিয়াহাটি গ্রামের পিল্টু বিশ্বাসের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়।
সেখানে ঘেরের হারির টাকার ডিট (চুক্তি) করা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছয়-সাতজন দুর্বৃত্ত তরিকুল ইসলামকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে তারা স্থানীয় বাজারের কয়েকটি দোকানে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভয়নগর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৮টার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার পর পিল্টু বিশ্বাসের বাড়ি লোকজন পালিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গ্রামের মাছের ঘের নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে