মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

চলতি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু জামালপুরের মাদারগঞ্জে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরীক্ষার শুরু থেকেই মাদারগঞ্জ উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় ও ড্যাফোডিলে কোচিং করতে দেখা যায়।
গতকাল বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, শ্যামগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ে কোচিং কার্যক্রম চলছে, যার পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছেন প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অফিস সহকারী সামউল ইসলাম ও দপ্তরি কমল দাস সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে কোচিং পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া ডেফোডিল, জিনিয়াস, ইউনিক ও অ্যাডভান্স নামক প্রতিষ্ঠানও সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং কার্যক্রম খোলা রেখেছে।
কোচিং বন্ধের নির্দেশনার পর কেন খোলা রাখা হয়েছে জানতে চাইলে কোনো উত্তর দেয়নি কর্তৃপক্ষ। সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে চলতি মাসের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রশীদ টুলু বলেন, ‘আসলে কোচিং নয়, আমরা এক্সট্রা ক্লাস করাই। এটির জন্য অনুমোদন রয়েছে। তার পরও বন্ধ করার জন্য আমি তাদের বলে দেব।’
ড্যাফোডিল কোচিং সেন্টারের পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে কোচিং চালানো আমাদের ঠিক হয়নি। এটা আমাদের ভুলই হয়েছে। আপনার সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলব।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় কোচিং করাচ্ছে বিষয়টি আমার জানা নেই।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইলিশায় রিছিল বলেন, ‘বর্তমানে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং কার্যক্রম চালু রাখার কোনো সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

চলতি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু জামালপুরের মাদারগঞ্জে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরীক্ষার শুরু থেকেই মাদারগঞ্জ উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় ও ড্যাফোডিলে কোচিং করতে দেখা যায়।
গতকাল বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, শ্যামগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ে কোচিং কার্যক্রম চলছে, যার পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছেন প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অফিস সহকারী সামউল ইসলাম ও দপ্তরি কমল দাস সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে কোচিং পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া ডেফোডিল, জিনিয়াস, ইউনিক ও অ্যাডভান্স নামক প্রতিষ্ঠানও সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং কার্যক্রম খোলা রেখেছে।
কোচিং বন্ধের নির্দেশনার পর কেন খোলা রাখা হয়েছে জানতে চাইলে কোনো উত্তর দেয়নি কর্তৃপক্ষ। সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে চলতি মাসের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রশীদ টুলু বলেন, ‘আসলে কোচিং নয়, আমরা এক্সট্রা ক্লাস করাই। এটির জন্য অনুমোদন রয়েছে। তার পরও বন্ধ করার জন্য আমি তাদের বলে দেব।’
ড্যাফোডিল কোচিং সেন্টারের পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে কোচিং চালানো আমাদের ঠিক হয়নি। এটা আমাদের ভুলই হয়েছে। আপনার সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলব।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় কোচিং করাচ্ছে বিষয়টি আমার জানা নেই।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইলিশায় রিছিল বলেন, ‘বর্তমানে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলমান। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং কার্যক্রম চালু রাখার কোনো সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে