ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মেসি ভাঙচুরসহ ফার্মাসিস্টকে ছাত্রলীগ নেতার মারধর ঘটনায় কর্মবিরতি করেছে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে এ কর্মবিরতি চলে। পরে জেলা সিভিল সার্জন প্রণয় কান্তি দাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা কাজে যোগ দেন।
কর্মবিরতি চলাকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবনে ফার্মেসি কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। অন্যান্য কক্ষের দরজা খোলা থাকলেও ছিল না চিকিৎসক। বন্ধ থাকে সব ধরনের সেবা কার্যক্রম। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সীমিত আকারে চিকিৎসা চলমান ছিল। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনেরা বিপাকে পড়েন।
গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে হাসপাতালের নির্ধারিত চিকিৎসকের ওষুধ সরবরাহের রসিদ ছাড়াই ওষুধ নিতে চান উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শাহীন মিয়া এবং সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক বিপুল মিয়া। এ সময় ফার্মাসিস্ট এনামুল হক তাঁদের ওষুধ সরবরাহ করতে চিকিৎসকের অনুমতি রসিদ আনতে বলেন। একপর্যায়ে হাসপাতালের ফার্মেসি কক্ষে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং সরকারি ওষুধপত্র তছনছ করাসহ ফার্মাসিস্ট এনামুল হককে বেধড়ক মারধর করেন তাঁরা।
আজ দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় উপজেলার চেয়ারম্যান এস এম জামাল আব্দুন নাছের বাবুল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় বলেন, বিষয়টি নিয়ে সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী ফার্মাসিস্ট এনামুল হক বলেন, ‘দোষীদের শাস্তির দাবিতে কর্মবিরতির শেষে ছাত্রলীগ নেতারা আমাকে মারধরসহ সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করায় চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এ এম আবু তাহের বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সরবরাহ কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ফার্মাসিস্টকে মারধরের ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মেসি ভাঙচুরসহ ফার্মাসিস্টকে ছাত্রলীগ নেতার মারধর ঘটনায় কর্মবিরতি করেছে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে এ কর্মবিরতি চলে। পরে জেলা সিভিল সার্জন প্রণয় কান্তি দাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা কাজে যোগ দেন।
কর্মবিরতি চলাকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবনে ফার্মেসি কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। অন্যান্য কক্ষের দরজা খোলা থাকলেও ছিল না চিকিৎসক। বন্ধ থাকে সব ধরনের সেবা কার্যক্রম। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সীমিত আকারে চিকিৎসা চলমান ছিল। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনেরা বিপাকে পড়েন।
গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে হাসপাতালের নির্ধারিত চিকিৎসকের ওষুধ সরবরাহের রসিদ ছাড়াই ওষুধ নিতে চান উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শাহীন মিয়া এবং সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক বিপুল মিয়া। এ সময় ফার্মাসিস্ট এনামুল হক তাঁদের ওষুধ সরবরাহ করতে চিকিৎসকের অনুমতি রসিদ আনতে বলেন। একপর্যায়ে হাসপাতালের ফার্মেসি কক্ষে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং সরকারি ওষুধপত্র তছনছ করাসহ ফার্মাসিস্ট এনামুল হককে বেধড়ক মারধর করেন তাঁরা।
আজ দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় উপজেলার চেয়ারম্যান এস এম জামাল আব্দুন নাছের বাবুল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় বলেন, বিষয়টি নিয়ে সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী ফার্মাসিস্ট এনামুল হক বলেন, ‘দোষীদের শাস্তির দাবিতে কর্মবিরতির শেষে ছাত্রলীগ নেতারা আমাকে মারধরসহ সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করায় চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এ এম আবু তাহের বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সরবরাহ কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ফার্মাসিস্টকে মারধরের ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে