জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে নাশকতার মামলায় জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পৌর এলাকার দেওয়ানপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত কবির এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল পৌর এলাকার দেওয়ানপাড়ায় মামার বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।
ওসি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ আহসানুজ্জামান রুমেলের সেই মামার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জামালপুরে নাশকতার মামলায় জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পৌর এলাকার দেওয়ানপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত কবির এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল পৌর এলাকার দেওয়ানপাড়ায় মামার বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।
ওসি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ আহসানুজ্জামান রুমেলের সেই মামার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে