জামালপুর প্রতিনিধি

ছাড়পত্রের শিক্ষার্থীকে ভর্তি করতে না চাওয়ায় জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ দুই নেতার বিরুদ্ধে কলেজের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের কম্পিউটার কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার কলেজের হিসাবরক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শামীম আহম্মেদ আমার কাছে এসে টিসিতে (ছাড়পত্র) ভর্তি করতে এক শিক্ষার্থীকে তালিকায় নাম লিখতে বলেন। আমি অধ্যক্ষের অনুমতি নেওয়া ছাড়া নাম তালিকায় না তুলতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর উপাধ্যক্ষ কক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি নাদিম হোসেন জয়সহ আরও চারজন ছিলেন। একপর্যায়ে আমাকে টেনে হিঁচড়ে অটোরিকশায় তুলে মারধর করতে করতে পৌর গোরস্থানে নিয়ে যান জানে মেরে ফেলতে। এ সময় আশপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করেন।’
জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খাবিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘এই ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দুজনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছি। তদন্ত চলছে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তীতে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে সুপারিশ করা হবে।’
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুণ অর রশীদ বলেন, ‘মো. শামীম আহম্মেদ ও নাদিম হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন কলেজের সাধারণ শাখায় কম্পিউটার কক্ষে প্রবেশ করেন। শামীম আহম্মেদ টিসিমূলে এক শিক্ষার্থীকে কলেজে ভর্তি করতে বলেন। তখন মো. হেলাল উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষের অনুমতি ব্যতীত ভর্তি তালিকা আপ্রুভ অস্বীকৃতি জানান। পরে ওই দুজনের নেতৃত্বে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। তাঁদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করা হয়। এ সময় সরকারি দায়িত্ব পালনকালে তাঁরা মারধর শুরু করেন। তাঁরা এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা টেনে–হিঁচড়ে তাঁকে (হেলাল উদ্দিন) ওই কক্ষ থেকে বের করা হয়। পরে কলেজ থেকে তাঁকে অটোরিকশায় উঠিয়ে নেওয়া হয়। অটোরিকশায় উঠিয়েও তাঁকে মারধর করতে-করতে পৌর কবরস্থানে নেওয়া হয়।’
এই ঘটনায় কলেজের হিসাবরক্ষক হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ওই কলেজের একজন কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। এখানে দুজনের নাম ও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।’
এ বিষয়ে জানার জন্য সদ্য অব্যাহতি পাওয়া ছাত্রলীগ নেতা মো. শামীম আহম্মেদের মোবাইল ফোনে কল করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

ছাড়পত্রের শিক্ষার্থীকে ভর্তি করতে না চাওয়ায় জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ দুই নেতার বিরুদ্ধে কলেজের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের কম্পিউটার কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার কলেজের হিসাবরক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শামীম আহম্মেদ আমার কাছে এসে টিসিতে (ছাড়পত্র) ভর্তি করতে এক শিক্ষার্থীকে তালিকায় নাম লিখতে বলেন। আমি অধ্যক্ষের অনুমতি নেওয়া ছাড়া নাম তালিকায় না তুলতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর উপাধ্যক্ষ কক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি নাদিম হোসেন জয়সহ আরও চারজন ছিলেন। একপর্যায়ে আমাকে টেনে হিঁচড়ে অটোরিকশায় তুলে মারধর করতে করতে পৌর গোরস্থানে নিয়ে যান জানে মেরে ফেলতে। এ সময় আশপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করেন।’
জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খাবিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘এই ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দুজনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছি। তদন্ত চলছে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তীতে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে সুপারিশ করা হবে।’
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুণ অর রশীদ বলেন, ‘মো. শামীম আহম্মেদ ও নাদিম হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন কলেজের সাধারণ শাখায় কম্পিউটার কক্ষে প্রবেশ করেন। শামীম আহম্মেদ টিসিমূলে এক শিক্ষার্থীকে কলেজে ভর্তি করতে বলেন। তখন মো. হেলাল উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষের অনুমতি ব্যতীত ভর্তি তালিকা আপ্রুভ অস্বীকৃতি জানান। পরে ওই দুজনের নেতৃত্বে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। তাঁদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করা হয়। এ সময় সরকারি দায়িত্ব পালনকালে তাঁরা মারধর শুরু করেন। তাঁরা এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা টেনে–হিঁচড়ে তাঁকে (হেলাল উদ্দিন) ওই কক্ষ থেকে বের করা হয়। পরে কলেজ থেকে তাঁকে অটোরিকশায় উঠিয়ে নেওয়া হয়। অটোরিকশায় উঠিয়েও তাঁকে মারধর করতে-করতে পৌর কবরস্থানে নেওয়া হয়।’
এই ঘটনায় কলেজের হিসাবরক্ষক হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ওই কলেজের একজন কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। এখানে দুজনের নাম ও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।’
এ বিষয়ে জানার জন্য সদ্য অব্যাহতি পাওয়া ছাত্রলীগ নেতা মো. শামীম আহম্মেদের মোবাইল ফোনে কল করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

খুলনার পূর্ব রূপসায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বাছেদ বিকুলের ভাড়া বাসা থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে বিকুলের মায়ের করা মামলায় ট্যারা হেলালকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তার ট্যারা হেলাল উপজেলার রামনগর গ্রামের...
১১ মিনিট আগে
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাড়িটানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির বোন মাসুমা আক্তার বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে দেশ মেধাশূন্য হয়ে গিয়েছিল। তখন একটি জরিপে দেখা গিয়েছিল, মেধাবীরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দিতেই বেশি আগ্রহী।
৩৯ মিনিট আগে
বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় সম্পন্ন হলো বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা ২০২৬। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জলদিয়া এলাকায় একাডেমির ক্যাম্পাসে গত শনিবার ছিল দিনব্যাপী এই আনন্দ আয়োজন।
৪২ মিনিট আগে