হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার স্বজনগ্রামে বিয়ের ১২ দিনের মাথায় প্রেমিক-প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল রোববার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। মৃতরা হলেন, লাখাই স্বজনগ্রামের আনছর মিয়ার মেয়ে তানিয়া (২২) এবং কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কুলাকান্দি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান হৃদয় (৩০)।
পুলিশ, স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মোবাইলে রং নম্বরে কলের সূত্র ধরে তানিয়ার সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান হৃদয়ের পরিচয় হয়। অতঃপর প্রেম। একে অপরকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তারা। অতঃপর গত ৯ নভেম্বর (বুধবার) কোর্ট ম্যারেজ করেন তারা। এদিকে স্ত্রী ও সন্তান রেখে তানিয়াকে বিয়ে করেন হৃদয়। সে কথা গোপন রেখেছিলেন তানিয়ার কাছে। বিয়ের খবর জানাজানি হয়ে গেলে হৃদয় ও তানিয়ার মাঝেও অশান্তি সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে হৃদয়ের দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নেননি তাঁর প্রথম স্ত্রী ও অভিভাবকেরা। এ অবস্থায় বিয়ের ১২ দিনের মাথায় ইঁদুর মারার ওষুধ ‘বুলেট’ খেয়ে আত্মহত্যা করেন এই নবদম্পতি।
তানিয়ার মা আবিদা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর বাড়িতেই থাকত হৃদয়। রোববার রাত ৭টার দিকে তানিয়া ও মোস্তাফিজ হঠাৎ ছটফট করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা জানান গোপনে দুজনই ইঁদুর মারার বিষটোপ ‘বুলেট’ খেয়েছেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় দুজনকে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের হবিগঞ্জে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পথে সামান্য ব্যবধানে দুজনই মৃত্যুবরণ করেন।
হৃদয়ের মামাতো ভাই জুয়েল বলেন, প্রথম স্ত্রীর তিন ভরি স্বর্ণ লুকিয়ে এনে তানিয়াকে বিয়ে করে হৃদয়। আগের বিয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে অশান্তি দেখা দিলে তারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানতে পেরেছি।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুনু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদরের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার স্বজনগ্রামে বিয়ের ১২ দিনের মাথায় প্রেমিক-প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল রোববার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। মৃতরা হলেন, লাখাই স্বজনগ্রামের আনছর মিয়ার মেয়ে তানিয়া (২২) এবং কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কুলাকান্দি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান হৃদয় (৩০)।
পুলিশ, স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মোবাইলে রং নম্বরে কলের সূত্র ধরে তানিয়ার সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান হৃদয়ের পরিচয় হয়। অতঃপর প্রেম। একে অপরকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তারা। অতঃপর গত ৯ নভেম্বর (বুধবার) কোর্ট ম্যারেজ করেন তারা। এদিকে স্ত্রী ও সন্তান রেখে তানিয়াকে বিয়ে করেন হৃদয়। সে কথা গোপন রেখেছিলেন তানিয়ার কাছে। বিয়ের খবর জানাজানি হয়ে গেলে হৃদয় ও তানিয়ার মাঝেও অশান্তি সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে হৃদয়ের দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নেননি তাঁর প্রথম স্ত্রী ও অভিভাবকেরা। এ অবস্থায় বিয়ের ১২ দিনের মাথায় ইঁদুর মারার ওষুধ ‘বুলেট’ খেয়ে আত্মহত্যা করেন এই নবদম্পতি।
তানিয়ার মা আবিদা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর বাড়িতেই থাকত হৃদয়। রোববার রাত ৭টার দিকে তানিয়া ও মোস্তাফিজ হঠাৎ ছটফট করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা জানান গোপনে দুজনই ইঁদুর মারার বিষটোপ ‘বুলেট’ খেয়েছেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় দুজনকে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের হবিগঞ্জে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পথে সামান্য ব্যবধানে দুজনই মৃত্যুবরণ করেন।
হৃদয়ের মামাতো ভাই জুয়েল বলেন, প্রথম স্ত্রীর তিন ভরি স্বর্ণ লুকিয়ে এনে তানিয়াকে বিয়ে করে হৃদয়। আগের বিয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে অশান্তি দেখা দিলে তারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানতে পেরেছি।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুনু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদরের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে