মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৩ প্রার্থীসহ ২৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৫৬ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ২৩ জনই জামানত হারিয়েছেন।
নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রার্থী কাস্টিং ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই অনুযায়ী জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন-১ নম্বর ধর্মঘর ইউনিয়নের সাইফুর রহমান, ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নের সৈয়দ আমানউল্লাহ, ৩ নম্বর বহরা ইউনিয়নের শাহ মো. আল আমিন, ৪ নম্বর আদাঐর ইউনিয়নের মো. আশেক মিয়া, মো. আল আমিন, মামুন মাহমুদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
৫ নম্বর আন্দিউড়া ইউনিয়নের আলফাজ আলীর, ৬ নম্বর শাহজাহাপুর ইউনিয়নের আবুল কালাম আজাদ, ৭ নম্বর জগদিশপুর ইউনিয়নের শেখ আব্দুল জলিল ও নাছির উদ্দিন খানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
৮ নম্বর বুল্লা ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. সামীমুর রহমান, ৯ নম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী শেখ মোজাহিদ বিন ইসলাম ও একই ইউনিয়নের আজিজুর রহমান এবং সৈয়দ আদেল আহমেদ প্রিন্স জামানত হারিয়েছেন।
১০ নম্বর ছাতিয়াইন ইউনিয়নে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ওই ইউনিয়নে জামানত হারানোরা হলেন—একেএম বায়েজিদ বোস্তামী, জিয়াউর রহমান, মো. সানিউর রহমান মানিক, রোকন মিয়া ও মহিবুর রহমান। এ ছাড়া ১১ নম্বর বাঘাসুরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. এখলাছ মিয়া ও জাপার কামরুজ্জান জামানত হারিয়েছেন।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৩ প্রার্থীসহ ২৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৫৬ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ২৩ জনই জামানত হারিয়েছেন।
নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রার্থী কাস্টিং ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই অনুযায়ী জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন-১ নম্বর ধর্মঘর ইউনিয়নের সাইফুর রহমান, ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নের সৈয়দ আমানউল্লাহ, ৩ নম্বর বহরা ইউনিয়নের শাহ মো. আল আমিন, ৪ নম্বর আদাঐর ইউনিয়নের মো. আশেক মিয়া, মো. আল আমিন, মামুন মাহমুদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
৫ নম্বর আন্দিউড়া ইউনিয়নের আলফাজ আলীর, ৬ নম্বর শাহজাহাপুর ইউনিয়নের আবুল কালাম আজাদ, ৭ নম্বর জগদিশপুর ইউনিয়নের শেখ আব্দুল জলিল ও নাছির উদ্দিন খানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
৮ নম্বর বুল্লা ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. সামীমুর রহমান, ৯ নম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী শেখ মোজাহিদ বিন ইসলাম ও একই ইউনিয়নের আজিজুর রহমান এবং সৈয়দ আদেল আহমেদ প্রিন্স জামানত হারিয়েছেন।
১০ নম্বর ছাতিয়াইন ইউনিয়নে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ওই ইউনিয়নে জামানত হারানোরা হলেন—একেএম বায়েজিদ বোস্তামী, জিয়াউর রহমান, মো. সানিউর রহমান মানিক, রোকন মিয়া ও মহিবুর রহমান। এ ছাড়া ১১ নম্বর বাঘাসুরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. এখলাছ মিয়া ও জাপার কামরুজ্জান জামানত হারিয়েছেন।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
৩০ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪১ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে