হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বালুখেকোদের হামলায় তিন সাংবাদিক আহত হয়েছে। তা ছাড়া সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলের এই ঘটনায় রাতে প্রতিবাদ সভা করেছেন জেলার সাংবাদিকেরা।
জানা গেছে, চুনারুঘাটের বনগাঁও গুদারাঘাট পয়েন্টে খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিল একটি চক্র। ওই চক্রের মূল হোতা উপজেলার সাটিয়াজুরি এলাকার সেলিম আহমেদ ওরফে ‘বালু সেলিম’। ইজারার নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে চক্রটি ছয়টি অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছিল। বালু বহনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল অবৈধ ট্রাক্টর।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের কারণে নানারকম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী। বালু বহনের জন্য ভারী ট্রাক্টর ও ট্রাক ব্যবহারের কারণে ভেঙে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। পাশাপাশি ধুলাবালিতে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে চারপাশ। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বিকট শব্দে চলা ট্রাক্টরগুলোর কারণে আতঙ্কে থাকে শিশুরা।
স্থানীয়দের নানা অভিযোগের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফিয়া আমিন পাপ্পাকে নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধার্থ ভৌমিক। গতকাল বুধবার দুপুরে পুলিশ ছাড়াই ওই মহালে অভিযানে যান আফিয়া আমিন পাপ্পা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তিনি পুলিশ ছাড়াই অভিযানে যান।
সহকারী কমিশনার বালুমহালে পৌঁছার আগে থেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন ‘বালু সেলিম’, চুনারুঘাট পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুল হান্নান, জাহাঙ্গীর ও তোফাজ্জল। এ ছাড়া একজন সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয়দের চাপের মুখে রাস্তার পাশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। এ সময় বালু সেলিম উত্তেজিত হয়ে বিভিন্ন কথা বলতে থাকলে সহকারী কমিশনার তাতেও সায় দেন।
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা সহকারী কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানান, ট্রাক্টর দিয়ে বালু বহনের কারণে রাস্তা ভেঙে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মহাল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে ওই জায়গা দেখতে যান তিনি। সেখানে অভিযানের বিষয়ে সহকারী কমিশনারের সাক্ষাৎকার নেন সাংবাদিকেরা। সাক্ষাৎকার শেষে মোটরসাইকেলযোগে ফেরার পথে হামলা চালায় বালু সিন্ডিকেটের লোকজন।
হামলার শিকার সাংবাদিকেরা হলেন এখন টিভির হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ও দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচারের যুগ্ম সম্পাদক কাজল সরকার, মাই টিভির প্রতিনিধি ও দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচারের সিনিয়র রিপোর্টার নিরঞ্জন গোস্বামী শুভ এবং দেশ টিভির প্রতিনিধি ও দৈনিক হবিগঞ্জের বাণীর বার্তা সম্পাদক আমীর হামজা। এ সময় হামলাকারীরা একটি ক্যামেরা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। তা ছাড়া একটি মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়। স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
ঘটনার পর জরুরি প্রতিবাদ সভা ডাকে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব ও টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ প্রতিবাদ সভা হয়। এ সময় তাঁরা হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাস সাগরের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, মো. শাবান মিয়া, মো. ফজলুর রহমান, চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ ও রাসেল চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ ফখরুজ্জামান, সায়েদুজ্জামান জাহির, চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, রাশেদ আহমদ খান, যুগ্ম সম্পাদক শাকিল চৌধুরী প্রমুখ।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বালুখেকোদের হামলায় তিন সাংবাদিক আহত হয়েছে। তা ছাড়া সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলের এই ঘটনায় রাতে প্রতিবাদ সভা করেছেন জেলার সাংবাদিকেরা।
জানা গেছে, চুনারুঘাটের বনগাঁও গুদারাঘাট পয়েন্টে খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলন করছিল একটি চক্র। ওই চক্রের মূল হোতা উপজেলার সাটিয়াজুরি এলাকার সেলিম আহমেদ ওরফে ‘বালু সেলিম’। ইজারার নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে চক্রটি ছয়টি অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছিল। বালু বহনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল অবৈধ ট্রাক্টর।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের কারণে নানারকম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী। বালু বহনের জন্য ভারী ট্রাক্টর ও ট্রাক ব্যবহারের কারণে ভেঙে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট। পাশাপাশি ধুলাবালিতে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে চারপাশ। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বিকট শব্দে চলা ট্রাক্টরগুলোর কারণে আতঙ্কে থাকে শিশুরা।
স্থানীয়দের নানা অভিযোগের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফিয়া আমিন পাপ্পাকে নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিদ্ধার্থ ভৌমিক। গতকাল বুধবার দুপুরে পুলিশ ছাড়াই ওই মহালে অভিযানে যান আফিয়া আমিন পাপ্পা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তিনি পুলিশ ছাড়াই অভিযানে যান।
সহকারী কমিশনার বালুমহালে পৌঁছার আগে থেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন ‘বালু সেলিম’, চুনারুঘাট পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুল হান্নান, জাহাঙ্গীর ও তোফাজ্জল। এ ছাড়া একজন সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয়দের চাপের মুখে রাস্তার পাশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। এ সময় বালু সেলিম উত্তেজিত হয়ে বিভিন্ন কথা বলতে থাকলে সহকারী কমিশনার তাতেও সায় দেন।
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা সহকারী কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানান, ট্রাক্টর দিয়ে বালু বহনের কারণে রাস্তা ভেঙে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মহাল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে ওই জায়গা দেখতে যান তিনি। সেখানে অভিযানের বিষয়ে সহকারী কমিশনারের সাক্ষাৎকার নেন সাংবাদিকেরা। সাক্ষাৎকার শেষে মোটরসাইকেলযোগে ফেরার পথে হামলা চালায় বালু সিন্ডিকেটের লোকজন।
হামলার শিকার সাংবাদিকেরা হলেন এখন টিভির হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ও দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচারের যুগ্ম সম্পাদক কাজল সরকার, মাই টিভির প্রতিনিধি ও দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচারের সিনিয়র রিপোর্টার নিরঞ্জন গোস্বামী শুভ এবং দেশ টিভির প্রতিনিধি ও দৈনিক হবিগঞ্জের বাণীর বার্তা সম্পাদক আমীর হামজা। এ সময় হামলাকারীরা একটি ক্যামেরা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। তা ছাড়া একটি মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়। স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
ঘটনার পর জরুরি প্রতিবাদ সভা ডাকে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব ও টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার রাত ৮টার দিকে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ প্রতিবাদ সভা হয়। এ সময় তাঁরা হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাস সাগরের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, মো. শাবান মিয়া, মো. ফজলুর রহমান, চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ ও রাসেল চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ ফখরুজ্জামান, সায়েদুজ্জামান জাহির, চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, রাশেদ আহমদ খান, যুগ্ম সম্পাদক শাকিল চৌধুরী প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে