হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের টঙ্গিরঘাট গ্রামে মসজিদের ফান্ডের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গিরঘাট জামে মসজিদের ফান্ডের ১৪ লাখ টাকা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। একপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন মো. তাইবুল্লাহ, যিনি ফান্ডের টাকা ব্যাংকে জমা রাখার পক্ষে। অন্যদিকে আলহাজ্ব মিয়ার পক্ষের লোকজন টাকা অন্য কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে এক বৈঠকে এ নিয়ে তুমুল বাগ্বিতণ্ডার পর আজ শনিবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—আলাছ মিয়া, আকল মিয়া, আফসর মিয়া, মইনুল ইসলাম, জরিমান বেগম, মুশাহিদ, হাসান মিয়া, শ্যামল মিয়া, জনি মিয়া, আনছব আলী, আতর আলী, ইসলাম উদ্দিন, আমান আলী, রমজান আলী, ফারজাহান আক্তার, আব্বাস আলী, জামান মিয়া, সাদেক মিয়া প্রমুখ। আহত প্রায় ৫০ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মো. তাইবুল্লাহ বলেন, ‘মসজিদের ফান্ডের টাকা স্বচ্ছতার জন্য ব্যাংকে জমা রাখার প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু আলহাজ্ব মিয়া ও তার সহযোগীরা এ টাকা অপচয়ের চেষ্টা করছেন। "
অন্যদিকে, আলহাজ্ব মিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আহতদের বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. নাঈম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাসপাতালে প্রায় ৫০ জন এসছিল। এর মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে ভর্তি আছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ‘মসজিদের ফান্ডের টাকা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের টঙ্গিরঘাট গ্রামে মসজিদের ফান্ডের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গিরঘাট জামে মসজিদের ফান্ডের ১৪ লাখ টাকা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। একপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন মো. তাইবুল্লাহ, যিনি ফান্ডের টাকা ব্যাংকে জমা রাখার পক্ষে। অন্যদিকে আলহাজ্ব মিয়ার পক্ষের লোকজন টাকা অন্য কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে এক বৈঠকে এ নিয়ে তুমুল বাগ্বিতণ্ডার পর আজ শনিবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—আলাছ মিয়া, আকল মিয়া, আফসর মিয়া, মইনুল ইসলাম, জরিমান বেগম, মুশাহিদ, হাসান মিয়া, শ্যামল মিয়া, জনি মিয়া, আনছব আলী, আতর আলী, ইসলাম উদ্দিন, আমান আলী, রমজান আলী, ফারজাহান আক্তার, আব্বাস আলী, জামান মিয়া, সাদেক মিয়া প্রমুখ। আহত প্রায় ৫০ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মো. তাইবুল্লাহ বলেন, ‘মসজিদের ফান্ডের টাকা স্বচ্ছতার জন্য ব্যাংকে জমা রাখার প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু আলহাজ্ব মিয়া ও তার সহযোগীরা এ টাকা অপচয়ের চেষ্টা করছেন। "
অন্যদিকে, আলহাজ্ব মিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আহতদের বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. নাঈম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাসপাতালে প্রায় ৫০ জন এসছিল। এর মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে ভর্তি আছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ‘মসজিদের ফান্ডের টাকা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৩ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে