গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মজিবুর রহমান হাওলাদার (৬৮) ও তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তারের (৫৪) বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার গোপালগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দুইটি দায়ের করা হয়।
গোপালগঞ্জ জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় মামলা দুটি দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কোটালীপাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার ২০১০ সাল থেকে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ কোটি ৮২ লাখ ৮৫ হাজার ১৪০ টাকার টাকার স্থাবর ও ৪২ লাখ ৭১ হাজার ৫৮২ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৮ কোটি ২৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭২২ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
ওই সম্পদ অর্জনের বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকা। ওই সময়কালে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় এক কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার ৪২০ টাকা। ব্যয় বাদে তার গ্রহণযোগ্য আয়/সঞ্চয় ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৪০ হাজার ৬৯৯ টাকা। এ হিসাবে মজিবুর রহমান হাওলাদারের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩ কোটি ৪৬ লাখ ১৬ লাখ ২৩ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারার অপরাধে তার বিরুদ্ধে জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
এ ছাড়া মজিবুর রহমান হাওলাদারের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার ১৯৯১ সাল থেকে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনে। দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে অবৈধ সম্পদ গোপন করে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮০ টাকার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। তার নিজস্ব কোনো আয় না থাকার সত্ত্বেও স্বামী মজিবুর রহমান হাওলাদারের অবৈধ সম্পদ গ্রহণ করেন তিনি।
তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত এক কোটি ৪৩ লাখ ২৯ হাজার ২৮৫ টাকার সম্পদ অর্জন করে নিজ মালিকানা ও ভোগ দখলে রেখেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারার অপরাধে তার বিরুদ্ধে জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মজিবুর রহমান হাওলাদার (৬৮) ও তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তারের (৫৪) বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার গোপালগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দুইটি দায়ের করা হয়।
গোপালগঞ্জ জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় মামলা দুটি দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কোটালীপাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার ২০১০ সাল থেকে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ কোটি ৮২ লাখ ৮৫ হাজার ১৪০ টাকার টাকার স্থাবর ও ৪২ লাখ ৭১ হাজার ৫৮২ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৮ কোটি ২৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭২২ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
ওই সম্পদ অর্জনের বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকা। ওই সময়কালে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় এক কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার ৪২০ টাকা। ব্যয় বাদে তার গ্রহণযোগ্য আয়/সঞ্চয় ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৪০ হাজার ৬৯৯ টাকা। এ হিসাবে মজিবুর রহমান হাওলাদারের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩ কোটি ৪৬ লাখ ১৬ লাখ ২৩ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারার অপরাধে তার বিরুদ্ধে জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
এ ছাড়া মজিবুর রহমান হাওলাদারের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার ১৯৯১ সাল থেকে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনে। দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে অবৈধ সম্পদ গোপন করে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮০ টাকার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। তার নিজস্ব কোনো আয় না থাকার সত্ত্বেও স্বামী মজিবুর রহমান হাওলাদারের অবৈধ সম্পদ গ্রহণ করেন তিনি।
তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত এক কোটি ৪৩ লাখ ২৯ হাজার ২৮৫ টাকার সম্পদ অর্জন করে নিজ মালিকানা ও ভোগ দখলে রেখেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারার অপরাধে তার বিরুদ্ধে জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
২ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৫ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে