গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে গোপনে কথিত স্ত্রীর মরদেহ দাফন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খেয়েছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম। এ সময় তাঁর অপর সহযোগী লিওন সাহাকেও আটক করা হয়। আজ সোমবার ভোরে গোপালগঞ্জ পৌর কবরস্থান থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
শাহ আলমের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার শাহদৌলতপুর গ্রামে। আর লিওন সাহার বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামে। আর ওই নারীর বাড়ি বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা গ্রামে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত ওই নারীর নাম উম্মে সাইয়েদা (২৩)। শাহ আলমের দাবি, গত ১৩ জানুয়ারি তিনি ওই নারীকে বিয়ে করেছেন।
ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে দাফন করার জন্য ওই নারীর মরদেহ গাজীপুর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে গোপালগঞ্জ পৌর কবরস্থানে আনা হয়। এর আগে রাতেই কবর খুঁড়ে রাখা হয়।
পরে দাফন করতে গেলে কবরস্থানের রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান ওই নারীর আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) অনুযায়ী পরিচয় জানতে চান। এ সময় পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানায় রেলওয়ে কর্মকর্তা শাহ আলম ও তাঁর সহযোগী লিওন সাহা। তাঁরা কবর থেকে দ্রুত মরদেহ তুলে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। আর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি বলেন, ‘আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’
এ ব্যাপারে শাহ আলমের বলেন, লিওন সাহা নামে একটি ছেলের মাধ্যমে তিনি উম্মে সাইয়েদা (২৩) নামের ওই নারীকে ১১ দিন আগে বিয়ে করেন। দুদিন আগে হঠাৎ করে তাঁর মৃত্যু হয়। আগের পক্ষের স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে এ বিষয়টি লুকানোর জন্য তিনি তাঁর সহযোগী লিওনের মাধ্যমে মরদেহ দাফনের জন্য গোপালগঞ্জ নিয়ে আসেন।

গোপালগঞ্জে গোপনে কথিত স্ত্রীর মরদেহ দাফন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা খেয়েছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম। এ সময় তাঁর অপর সহযোগী লিওন সাহাকেও আটক করা হয়। আজ সোমবার ভোরে গোপালগঞ্জ পৌর কবরস্থান থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
শাহ আলমের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার শাহদৌলতপুর গ্রামে। আর লিওন সাহার বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামে। আর ওই নারীর বাড়ি বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা গ্রামে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত ওই নারীর নাম উম্মে সাইয়েদা (২৩)। শাহ আলমের দাবি, গত ১৩ জানুয়ারি তিনি ওই নারীকে বিয়ে করেছেন।
ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে দাফন করার জন্য ওই নারীর মরদেহ গাজীপুর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে গোপালগঞ্জ পৌর কবরস্থানে আনা হয়। এর আগে রাতেই কবর খুঁড়ে রাখা হয়।
পরে দাফন করতে গেলে কবরস্থানের রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান ওই নারীর আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) অনুযায়ী পরিচয় জানতে চান। এ সময় পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানায় রেলওয়ে কর্মকর্তা শাহ আলম ও তাঁর সহযোগী লিওন সাহা। তাঁরা কবর থেকে দ্রুত মরদেহ তুলে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। আর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি বলেন, ‘আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’
এ ব্যাপারে শাহ আলমের বলেন, লিওন সাহা নামে একটি ছেলের মাধ্যমে তিনি উম্মে সাইয়েদা (২৩) নামের ওই নারীকে ১১ দিন আগে বিয়ে করেন। দুদিন আগে হঠাৎ করে তাঁর মৃত্যু হয়। আগের পক্ষের স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে এ বিষয়টি লুকানোর জন্য তিনি তাঁর সহযোগী লিওনের মাধ্যমে মরদেহ দাফনের জন্য গোপালগঞ্জ নিয়ে আসেন।

দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে বোরো ধান রক্ষার প্রধান ভরসা হাওর রক্ষা বাঁধ। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও জেলার বেশির ভাগ হাওরে এই বাঁধের কাজ এখনো শুরু হয়নি। কোথাও কাজের কোনো দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই, কোথাও আবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিও (পিআইসি) গঠন শেষ হয়নি। এতে সময়মতো কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থান
৬ ঘণ্টা আগে