টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চলাকালে পুলিশের ওপর হামলা মামলায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বি. এম মাহমুদুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতাকে গোপালগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
টুঙ্গিপাড়া থানার পরির্দশক (তদন্ত) আহমদ আলী বিশ্বাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও পাটগাতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লায়েক আলী বিশ্বাসের ছেলে।
এ ছাড়া টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সোলায়মান বিশ্বাসের ছোট ভাই।
আহমদ আলী বিশ্বাস বলেন, গত ৮ মে প্রথম ধাপে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন চলাকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী মাসুদুল হকের সমর্থকেরা গিমাডাঙ্গা আইডিয়াল স্কুল কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশ বাঁধা দিলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তখন ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত হয়। ঘটনার সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ছোড়ে। একপর্যায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বদিয়ার রহমানের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে ওই প্রার্থীর সমর্থকেরা। এ ঘটনায় এসআই বদিয়ার রহমান বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও বরেন, পরে মামলাটির তদন্ত ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বি. এম মাহমুদুল হকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার সকালে পুলিশি পাহারায় তাকে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এব্যাপারে গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতা বি. এম মাহমুদুল হকের ভাই ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ভাই নিরপরাধ। সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়, তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি আমার ভাইয়ের মুক্তি দাবি করছি।’

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চলাকালে পুলিশের ওপর হামলা মামলায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বি. এম মাহমুদুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতাকে গোপালগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
টুঙ্গিপাড়া থানার পরির্দশক (তদন্ত) আহমদ আলী বিশ্বাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও পাটগাতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লায়েক আলী বিশ্বাসের ছেলে।
এ ছাড়া টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সোলায়মান বিশ্বাসের ছোট ভাই।
আহমদ আলী বিশ্বাস বলেন, গত ৮ মে প্রথম ধাপে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন চলাকালে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী মাসুদুল হকের সমর্থকেরা গিমাডাঙ্গা আইডিয়াল স্কুল কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশ বাঁধা দিলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তখন ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত হয়। ঘটনার সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ছোড়ে। একপর্যায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বদিয়ার রহমানের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে ওই প্রার্থীর সমর্থকেরা। এ ঘটনায় এসআই বদিয়ার রহমান বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও বরেন, পরে মামলাটির তদন্ত ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বি. এম মাহমুদুল হকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার সকালে পুলিশি পাহারায় তাকে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এব্যাপারে গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতা বি. এম মাহমুদুল হকের ভাই ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ভাই নিরপরাধ। সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়, তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি আমার ভাইয়ের মুক্তি দাবি করছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে