গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারীর চেয়ারম্যান, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আকরাম জাফর ফকিরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বাটিকামারী স্কুলমাঠে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, প্রচার সম্পাদক বদরুল আলম বদর, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড আতিকুর রহমান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম শিকদার, মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাবির মিয়া, মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা, সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় আলেম-ওলামা ও নানান শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের রহমান রাশেদ, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর মিয়া ও মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) খন্দকার আমিনুর রহমান উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করেন।
জানাজার আগে মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সব ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার দুপুরে মুকসুদপুর-বরইতলা সড়কের বনগ্রাম মুন্সিবাড়ী নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আকরাম জাফর ফকির। পরে তাঁকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে মারা যান তিনি।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারীর চেয়ারম্যান, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আকরাম জাফর ফকিরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বাটিকামারী স্কুলমাঠে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, প্রচার সম্পাদক বদরুল আলম বদর, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড আতিকুর রহমান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম শিকদার, মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাবির মিয়া, মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা, সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় আলেম-ওলামা ও নানান শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের রহমান রাশেদ, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর মিয়া ও মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) খন্দকার আমিনুর রহমান উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করেন।
জানাজার আগে মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সব ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার দুপুরে মুকসুদপুর-বরইতলা সড়কের বনগ্রাম মুন্সিবাড়ী নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আকরাম জাফর ফকির। পরে তাঁকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে মারা যান তিনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে