টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। হাইকোর্টের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন হবে।
আজ মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনার ছয় দিন পর পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘এই ঘটনার গভীরে সরকার যেতে চায়। এ ঘটনা যেন আরেকবার না হয়, তার শিক্ষা নিতে হবে এইখান থেকে (গোপালগঞ্জ)। যার কারণে গোপালগঞ্জে একটা নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা। সেটি হবে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। যেখানে শুধু সরকারি কর্মকর্তাই থাকবেন, একজন বিচারপতির নেতৃত্বে সুশীল সমাজের ব্যক্তিরাও সেখানে থাকবেন।

‘এটা এক-দুই দিনের মধ্যে গঠিত হয়ে যাবে। তারা কিন্তু পুরো বিষয়টিকে তদন্ত করবেন। তাঁরা তদন্ত প্রতিবেদন দিলে জানতে পারব কী ঘটেছিল, কী করলে এড়িয়ে যাওয়া যেত। আর ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি কীভাবে রোধ করতে পারি।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘গোপালগঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, এই ধরনের ঘটনা ঘটবে সেটা তারা বুঝতে পেরেছিল। তবে তার ব্যাপকতা এই পরিমাণ হবে, তা তারা বুঝতে পারে নাই। তারা তাদের সীমিত সক্ষমতা দিয়ে সবাই মিলে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সাংবাদিকেরাও আহত হয়েছেন।’
সেতু উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িতে আগুন দিয়েছে। যারা সরকারি কর্মকর্তাদের গায়ে আঘাত করেছে, তারা আইন অনুযায়ী শাস্তি পাবে। তবে নিরীহ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়। এ ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যসহ স্বাভাবিক জীবন যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য আমরা চেষ্টা করব।’
এর আগে বেলা ১০টার দিকে গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পরে তাঁরা গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সভা করেন।
এরপর উপদেষ্টাদ্বয় জেলা কারাগার, জেলা প্রশাসকের বাসভবনসহ গত বুধবার ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের প্রতিটি স্থান পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত কারাগার পরিদর্শন করে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এরপর দুই উপদেষ্টা এনসিপির সভামঞ্চ, সংঘর্ষের স্থান, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।
এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোতাহের হোসেন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কারাগারের জেলার তানিয়া জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল হাসানসহ দুই মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। হাইকোর্টের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন হবে।
আজ মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনার ছয় দিন পর পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘এই ঘটনার গভীরে সরকার যেতে চায়। এ ঘটনা যেন আরেকবার না হয়, তার শিক্ষা নিতে হবে এইখান থেকে (গোপালগঞ্জ)। যার কারণে গোপালগঞ্জে একটা নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা। সেটি হবে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। যেখানে শুধু সরকারি কর্মকর্তাই থাকবেন, একজন বিচারপতির নেতৃত্বে সুশীল সমাজের ব্যক্তিরাও সেখানে থাকবেন।

‘এটা এক-দুই দিনের মধ্যে গঠিত হয়ে যাবে। তারা কিন্তু পুরো বিষয়টিকে তদন্ত করবেন। তাঁরা তদন্ত প্রতিবেদন দিলে জানতে পারব কী ঘটেছিল, কী করলে এড়িয়ে যাওয়া যেত। আর ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি কীভাবে রোধ করতে পারি।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘গোপালগঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, এই ধরনের ঘটনা ঘটবে সেটা তারা বুঝতে পেরেছিল। তবে তার ব্যাপকতা এই পরিমাণ হবে, তা তারা বুঝতে পারে নাই। তারা তাদের সীমিত সক্ষমতা দিয়ে সবাই মিলে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সাংবাদিকেরাও আহত হয়েছেন।’
সেতু উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িতে আগুন দিয়েছে। যারা সরকারি কর্মকর্তাদের গায়ে আঘাত করেছে, তারা আইন অনুযায়ী শাস্তি পাবে। তবে নিরীহ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়। এ ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যসহ স্বাভাবিক জীবন যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য আমরা চেষ্টা করব।’
এর আগে বেলা ১০টার দিকে গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পরে তাঁরা গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সভা করেন।
এরপর উপদেষ্টাদ্বয় জেলা কারাগার, জেলা প্রশাসকের বাসভবনসহ গত বুধবার ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের প্রতিটি স্থান পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত কারাগার পরিদর্শন করে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এরপর দুই উপদেষ্টা এনসিপির সভামঞ্চ, সংঘর্ষের স্থান, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।
এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোতাহের হোসেন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কারাগারের জেলার তানিয়া জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম রকিবুল হাসানসহ দুই মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে