গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের উপরিচালক (পউও) ও প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তুহিন মাহমুদকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত এবং একইসঙ্গে সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বশেমুরবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গত বছর ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখে অনুষ্ঠিত ৩৭ তম রিজেন্ট বোর্ডের সবার সিদ্ধান্তে সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর খন্দকার নাসির উদ্দিনের সময়ে আসবাবপত্র, কম্পিউটারসহ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের বিল ভাউচার ও প্রস্তাবিত কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য একটি কমিটি করা হয়। কমিটির লোকজন সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাইয়ে জন্য খুলনা শিপইয়ার্ডে যায়। তাঁদেরকে সহযোগিতা করতে তুহিন মাহমুদকে সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য ট্রেজারার নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি।
এতে ওই কমিটির সদস্যদের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের যথার্থতা যাচাইয়ে চরম অবহেলা ও অসহযোগিতা করেছেন বলে ওই তদন্ত কমিটির সদস্য মো. ফরিদুল আলম অভিযোগ করেন। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ সামসুল আলম অভিযোগ করেন যে, তুহিন মাহমুদ উপাচার্যের অনুমোদন ছাড়াই বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ক্রয় কার্যাদেশ সংক্রান্ত অফিস আদেশসহ বিভিন্ন ধরনের পত্র জারি করেছেন, যা সরকারি কর্মচারী আইন পরিপন্থি বলে রিজেন্ট বোর্ডের সব সদস্য একমত হয়েছেন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ পর্যালোচনা ও রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো এবং একইসঙ্গে সব প্রকার দপ্তরের কার্যক্রম থেকে তাঁকে বিরত থাকার জন্য বলা হলো।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের উপরিচালক (পউও) ও প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) তুহিন মাহমুদকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত এবং একইসঙ্গে সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বশেমুরবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গত বছর ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখে অনুষ্ঠিত ৩৭ তম রিজেন্ট বোর্ডের সবার সিদ্ধান্তে সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর খন্দকার নাসির উদ্দিনের সময়ে আসবাবপত্র, কম্পিউটারসহ ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের বিল ভাউচার ও প্রস্তাবিত কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য একটি কমিটি করা হয়। কমিটির লোকজন সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাইয়ে জন্য খুলনা শিপইয়ার্ডে যায়। তাঁদেরকে সহযোগিতা করতে তুহিন মাহমুদকে সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য ট্রেজারার নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি।
এতে ওই কমিটির সদস্যদের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের যথার্থতা যাচাইয়ে চরম অবহেলা ও অসহযোগিতা করেছেন বলে ওই তদন্ত কমিটির সদস্য মো. ফরিদুল আলম অভিযোগ করেন। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ সামসুল আলম অভিযোগ করেন যে, তুহিন মাহমুদ উপাচার্যের অনুমোদন ছাড়াই বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ক্রয় কার্যাদেশ সংক্রান্ত অফিস আদেশসহ বিভিন্ন ধরনের পত্র জারি করেছেন, যা সরকারি কর্মচারী আইন পরিপন্থি বলে রিজেন্ট বোর্ডের সব সদস্য একমত হয়েছেন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ পর্যালোচনা ও রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো এবং একইসঙ্গে সব প্রকার দপ্তরের কার্যক্রম থেকে তাঁকে বিরত থাকার জন্য বলা হলো।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে