শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী এক শিশুকে (১১) কোল্ডড্রিঙ্কসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা এ ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তাঁরা হলেন উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ গ্রামের মো. শফিকুল ইসলাম (৩৫), জসিম উদ্দিন (৩০), মো. বাবুল মিয়া (২৫) ও সাব্বির আহমেদ (২০)।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’
জানা গেছে, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল শিশুটি। পথে কোল্ডড্রিঙ্কসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে আবারও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন অভিযুক্তরা।
পরে শিশু শিক্ষার্থীর আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলে, ‘স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বৃষ্টি নামে। এ সময় রাস্তার পাশে একটি দোকানে আশ্রয় নিই। তখন দোকান বন্ধ ছিল। এরপর ওরা আমাকে সেভেনআপ খেতে দেয়। আমি খেতে চাইনি। কিন্তু ওরা ভয়ভীতি দেখায়। খাওয়ার পরপরই আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। আর কিছু বলতে পারব না। জ্ঞান ফিরে দেখি আমি জঙ্গলের ভেতর। একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছে। আমি ভিডিও করতে বাধা দিই, কিন্তু তবুও ভিডিও ধারণ করে। পরে এই বলে হুমকি দেয়, এরপর ডাকলে না আসলে ভিডিও ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেব। এভাবে একাধিকবার আমাকে ডেকে নিয়ে তারা ধর্ষণ করে। সবার পরিচয় আমি জানি।’
ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘বাবা হিসেবে আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে পারব না। ভিডিও দেখে আমার মাথা কাজ করছে না। আমার ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে কেমন জুলুম করল ওরা। আমি সমাজে মুখ দেখাব কীভাবে। মেয়েটাকে নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি। চোখে চোখে রাখছি কখন জানি কী করে বসে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করছি। এর পর থেকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা।’
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে পরপর কয়েকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

গাজীপুরের শ্রীপুরে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী এক শিশুকে (১১) কোল্ডড্রিঙ্কসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা এ ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তাঁরা হলেন উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ গ্রামের মো. শফিকুল ইসলাম (৩৫), জসিম উদ্দিন (৩০), মো. বাবুল মিয়া (২৫) ও সাব্বির আহমেদ (২০)।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’
জানা গেছে, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল শিশুটি। পথে কোল্ডড্রিঙ্কসের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করা হয়। এই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে আবারও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন অভিযুক্তরা।
পরে শিশু শিক্ষার্থীর আপত্তিকর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলে, ‘স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বৃষ্টি নামে। এ সময় রাস্তার পাশে একটি দোকানে আশ্রয় নিই। তখন দোকান বন্ধ ছিল। এরপর ওরা আমাকে সেভেনআপ খেতে দেয়। আমি খেতে চাইনি। কিন্তু ওরা ভয়ভীতি দেখায়। খাওয়ার পরপরই আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। আর কিছু বলতে পারব না। জ্ঞান ফিরে দেখি আমি জঙ্গলের ভেতর। একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছে। আমি ভিডিও করতে বাধা দিই, কিন্তু তবুও ভিডিও ধারণ করে। পরে এই বলে হুমকি দেয়, এরপর ডাকলে না আসলে ভিডিও ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেব। এভাবে একাধিকবার আমাকে ডেকে নিয়ে তারা ধর্ষণ করে। সবার পরিচয় আমি জানি।’
ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘বাবা হিসেবে আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে পারব না। ভিডিও দেখে আমার মাথা কাজ করছে না। আমার ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে কেমন জুলুম করল ওরা। আমি সমাজে মুখ দেখাব কীভাবে। মেয়েটাকে নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি। চোখে চোখে রাখছি কখন জানি কী করে বসে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করছি। এর পর থেকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা।’
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে পরপর কয়েকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে