
দিনভর জংলিলতা (চাঁইলতা) সংগ্রহ করে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন ষাটোর্ধ্ব নারী আয়তন নেছা। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে ও নাতিকে নিয়ে তিনি থাকেন একটি ছাপরাঘরে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও আয়তনের ঘরে জ্বলে না বিদ্যুতের আলো। স্বামীর রেখে যাওয়া তেমন জমিজমা নেই। তীব্র শীতের মধ্যে যুদ্ধ করে চলছে তাঁর জীবন। বয়স্ক ভাতা পেলেও তাতে মেটে না সংসার খরচ। এ কারণে আয়তনের জন্য বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন স্থানীয় সচেতন বাসিন্দারা।
আয়তন নেছা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের জয়নাতলী গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে উজ্জ্বল (৩৫) ও ১০ বছর বয়সী নাতি সারোয়ারকে নিয়ে তাঁর সংসার।
গত মঙ্গলবার রাতে আয়তন নেছার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, জরাজীর্ণ একটি ছাপরাঘর। ভেতরে লতাপাতায় ভরা, মাটিতে একটি মাদুর বিছানো। ঘরের মেঝেতে হাঁড়িপাতিল এলোমেলো পড়ে রয়েছে। অল্প জায়গায় গাদাগাদি করে ঘুমাতে হয় তাঁদের। বৃদ্ধা নারীর গায়ে ছেঁড়া একটি পাতলা কাপড়। গরম কাপড় তেমন না থাকায় শীতে কাঁপছেন আয়তন নেছা ও তাঁর ছেলে-নাতি।
ছাপরাঘরে কথা হয় আয়তন নেছার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘স্বামীর রেখে যাওয়া তেমন কোনো সহায়সম্বল নেই। আমি নিজেও তেমন কিছু বুঝি না। সোজাসাপটা মানুষ। স্বামী মারা যাওয়ার পরপরই বিভিন্ন কারণে একই গ্রামের বাসিন্দা বোনের ছেলে ভাগিনার জরাজীর্ণ ছাপরাঘরে এসে আশ্রয় নিয়েছি। সারা দিন বনজঙ্গলে ঘুরেঘুরে চাঁইলতা সংগ্রহ করি। এরপর সেগুলো বিক্রি করে কোনোমতে সন্তান ও নাতির মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিই। কোনোবেলা খাবার দিতে পারি আবার কোনোবেলা পারি না।
আয়তন নেছা আরও বলেন, ‘সরকারি সুযোগ-সুবিধা বলতে বয়স্কভাতা পাই, তা খুবই সামান্য। শরীরে কাপড় দেখে বুঝতে পারছে না কেমন করে শীত কাটছে। শীতের কাপড় তো দূরের কথা। ঠিকমতো খেতে পারছি না। ঘরের মেঝেতে মাটিতে ঘুমাতে হয়। ঘরের দরজা-জানালা নেই, তাই শীত আরও বেশি।’
স্থানীয় বাসিন্দা জামির হোসাইন বলেন, ‘আমি প্রতিদিন এই বাড়ির পাশ দিয়ে টিউশনি করতে যাই। যাওয়া-আসার পথে তাঁদের কষ্ট চোখে দেখি। খুবই কষ্ট করে চলছে অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ নারীর জীবন। বনজঙ্গলের লতা কুড়িয়ে এনে বিক্রি করে চলছে এই নারীর জীবন। আমরা সমাজের বৃত্তবানদের আহ্বান জানাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে অসহায় নারীর বাকি জীবন ভালো কাটবে।’
এ বিষয়ে মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন বলেন, ‘অসহায় নারীর জন্য সরকারি সব ধরনের সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে।’
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খোঁজ-খবর নিয়ে সরকারের পক্ষে উপজেলা প্রশাসন অসহায় নারীর পাশে দাঁড়াবে।’

দিনভর জংলিলতা (চাঁইলতা) সংগ্রহ করে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন ষাটোর্ধ্ব নারী আয়তন নেছা। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে ও নাতিকে নিয়ে তিনি থাকেন একটি ছাপরাঘরে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও আয়তনের ঘরে জ্বলে না বিদ্যুতের আলো। স্বামীর রেখে যাওয়া তেমন জমিজমা নেই। তীব্র শীতের মধ্যে যুদ্ধ করে চলছে তাঁর জীবন। বয়স্ক ভাতা পেলেও তাতে মেটে না সংসার খরচ। এ কারণে আয়তনের জন্য বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন স্থানীয় সচেতন বাসিন্দারা।
আয়তন নেছা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের জয়নাতলী গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে উজ্জ্বল (৩৫) ও ১০ বছর বয়সী নাতি সারোয়ারকে নিয়ে তাঁর সংসার।
গত মঙ্গলবার রাতে আয়তন নেছার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, জরাজীর্ণ একটি ছাপরাঘর। ভেতরে লতাপাতায় ভরা, মাটিতে একটি মাদুর বিছানো। ঘরের মেঝেতে হাঁড়িপাতিল এলোমেলো পড়ে রয়েছে। অল্প জায়গায় গাদাগাদি করে ঘুমাতে হয় তাঁদের। বৃদ্ধা নারীর গায়ে ছেঁড়া একটি পাতলা কাপড়। গরম কাপড় তেমন না থাকায় শীতে কাঁপছেন আয়তন নেছা ও তাঁর ছেলে-নাতি।
ছাপরাঘরে কথা হয় আয়তন নেছার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘স্বামীর রেখে যাওয়া তেমন কোনো সহায়সম্বল নেই। আমি নিজেও তেমন কিছু বুঝি না। সোজাসাপটা মানুষ। স্বামী মারা যাওয়ার পরপরই বিভিন্ন কারণে একই গ্রামের বাসিন্দা বোনের ছেলে ভাগিনার জরাজীর্ণ ছাপরাঘরে এসে আশ্রয় নিয়েছি। সারা দিন বনজঙ্গলে ঘুরেঘুরে চাঁইলতা সংগ্রহ করি। এরপর সেগুলো বিক্রি করে কোনোমতে সন্তান ও নাতির মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিই। কোনোবেলা খাবার দিতে পারি আবার কোনোবেলা পারি না।
আয়তন নেছা আরও বলেন, ‘সরকারি সুযোগ-সুবিধা বলতে বয়স্কভাতা পাই, তা খুবই সামান্য। শরীরে কাপড় দেখে বুঝতে পারছে না কেমন করে শীত কাটছে। শীতের কাপড় তো দূরের কথা। ঠিকমতো খেতে পারছি না। ঘরের মেঝেতে মাটিতে ঘুমাতে হয়। ঘরের দরজা-জানালা নেই, তাই শীত আরও বেশি।’
স্থানীয় বাসিন্দা জামির হোসাইন বলেন, ‘আমি প্রতিদিন এই বাড়ির পাশ দিয়ে টিউশনি করতে যাই। যাওয়া-আসার পথে তাঁদের কষ্ট চোখে দেখি। খুবই কষ্ট করে চলছে অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ নারীর জীবন। বনজঙ্গলের লতা কুড়িয়ে এনে বিক্রি করে চলছে এই নারীর জীবন। আমরা সমাজের বৃত্তবানদের আহ্বান জানাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতে। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে অসহায় নারীর বাকি জীবন ভালো কাটবে।’
এ বিষয়ে মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খোকন বলেন, ‘অসহায় নারীর জন্য সরকারি সব ধরনের সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে।’
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খোঁজ-খবর নিয়ে সরকারের পক্ষে উপজেলা প্রশাসন অসহায় নারীর পাশে দাঁড়াবে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২২ মিনিট আগে