শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পরিচয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি। হাত-পা বেঁধে চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। কেড়ে নেওয়া হয় আইফোন সিক্সটিন প্রো ম্যাক্স মোবাইল। কয়েক দফা দর–কষাকষি করে সাড়ে ৫ লাখ আদায়ের দুদিন পর ফেলে রেখে যায় নির্জন স্থানে।
অপরদিকে অপহরণের কথা জানলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এনসিপির কেউ নয় বলে দাবি উপজেলার নেতাদের। ঘটনার দুই সপ্তাহ পর আজ বুধবার (১১ জুন) শ্রীপুর থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী ইসরাত জাহান আঁখি।
এর আগে গত বুধবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শহরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মালেক মাস্টার মার্কেটের সামনে থেকে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে।
অপহৃত ব্যক্তির নাম আল রিয়াদ আদনান অন্তর (৩৫), তিনি শ্রীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হোসেনের ছেলে এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহসম্পাদক।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মো. উজ্বল হোসাইন (২২), আলিফ মোড়ল (২০), কাইফাত মোড়ল (২৪), মারুফ খান (২২) ও মিঠুন (২০)। তাঁরা সবাই উপজেলা এনসিপির সংগঠক হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।
ইসরাত জাহান আঁখি বলেন, ‘গত ২৮ মে আমার স্বামী (রিয়াদ) মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মালেক মাস্টার মার্কেট থেকে মেয়ের ওষুধ কিনে অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন। এই সময় হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এসে নিজেদের এনসিপির নেতা পরিচয়ে অটোরিকশার সামনে দাঁড়িয়ে গতিরোধ করে। এরপর তাঁকে টেনেহিঁচড়ে স্থানীয় ইয়াকুব আলী মাস্টার টাওয়ারের পেছনে নিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি একটি ঘরে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন।’
ইসরাত জাহান আঁখি আরও বলেন, ‘ঘটনার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ রয়েছে। অভিযুক্ত আলিফ মোড়ল আমার স্বামীকে ব্যাপক নির্যাতন করে আমাকে মোবাইলে ফোন দেয় এবং অপর প্রান্ত থেকে ‘‘আমাকে বাঁচাও’’ বলার শব্দ শোনা যায়। এ সময় অভিযুক্তরা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরদিন ২৯ মে ভোর ৪টার দিকে এমসি বাজার এলাকায় মুক্তিপণের ২ লাখ টাকা নিয়ে গেলে অভিযুক্ত আলিফ মোড়লসহ দুটি মোটরসাইকেল এসে ২ লাখ টাকা ও মোবাইল ফোনের বক্স ও কাগজপত্র নিয়ে যায়।’
ইসরাত জাহান আঁখি বলেন, ‘এরপরও ওরা স্বামীকে ছাড়েনি। তাদের দাবি করা মুক্তিপণ দিয়েছি। এরপর আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে আমার শ্বশুর আরও ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দিলে ২৯ মে রাত ১০টার দিকে এমসি বাজার এলাকায় একটি নির্জন স্থানে তাঁকে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা আমাদের জানায়। যার কথোপকথন আমাদের মোবাইল ফোনে রেকর্ড রয়েছে।’

ইসরাত জাহান জানান, বিষয়টি স্থানীয় এনসিপির নেতা-কর্মীদের জানানোর পর সংগঠনের শ্রীপুর উপজেলার একটি ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এনসিপির কেউ নন। তাঁরা অপরাধী, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি তাঁদের (এনসিপি) সর্বাত্মক সহযোগিতার কথাও জানানো হয়।

এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত আলিফ মোড়ল তাঁর ফেসবুক পোস্টে অপহরণের কথা স্বীকার করেন। পাশাপাশি দুই দফা মুক্তিপণের ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নিজের মোটরসাইকেলে করে নিয়ে এসেছেন। ১০ হাজার টাকা ভাগ পাওয়ার কথা তুলে ধরেছেন তাঁর ফেসবুক পোস্টে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির উপজেলার আহ্বায়ক প্রার্থী আবু রায়হান মেজবাহ বলেন, তাঁরা কেউ এনসিপির নেতা নয়। পুলিশকে বলা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে। ইতিমধ্যে এনসিপি বিষয়টি পরিষ্কার করেছে।
আবু রায়হান আরও বলেন, তাঁরা ৫ তারিখের পর এসে যোগ দেন। তাঁরা মিছিলের সামনে এসে ছবি তুলে পোস্ট করলেই নেতা হওয়া যায় না। তাঁরা প্রকৃতপক্ষে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ আব্দুল বারিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভুক্তভোগীর স্ত্রী আমার সঙ্গে ফোনে অভিযোগের বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি জরুরি কাজে বাইরে আছি। বিষয়টি আগেই আমার নজরে এসেছে। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ করেনি। বিষয়টির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পরিচয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি। হাত-পা বেঁধে চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। কেড়ে নেওয়া হয় আইফোন সিক্সটিন প্রো ম্যাক্স মোবাইল। কয়েক দফা দর–কষাকষি করে সাড়ে ৫ লাখ আদায়ের দুদিন পর ফেলে রেখে যায় নির্জন স্থানে।
অপরদিকে অপহরণের কথা জানলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এনসিপির কেউ নয় বলে দাবি উপজেলার নেতাদের। ঘটনার দুই সপ্তাহ পর আজ বুধবার (১১ জুন) শ্রীপুর থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী ইসরাত জাহান আঁখি।
এর আগে গত বুধবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর শহরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মালেক মাস্টার মার্কেটের সামনে থেকে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে।
অপহৃত ব্যক্তির নাম আল রিয়াদ আদনান অন্তর (৩৫), তিনি শ্রীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হোসেনের ছেলে এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহসম্পাদক।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মো. উজ্বল হোসাইন (২২), আলিফ মোড়ল (২০), কাইফাত মোড়ল (২৪), মারুফ খান (২২) ও মিঠুন (২০)। তাঁরা সবাই উপজেলা এনসিপির সংগঠক হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।
ইসরাত জাহান আঁখি বলেন, ‘গত ২৮ মে আমার স্বামী (রিয়াদ) মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মালেক মাস্টার মার্কেট থেকে মেয়ের ওষুধ কিনে অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন। এই সময় হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এসে নিজেদের এনসিপির নেতা পরিচয়ে অটোরিকশার সামনে দাঁড়িয়ে গতিরোধ করে। এরপর তাঁকে টেনেহিঁচড়ে স্থানীয় ইয়াকুব আলী মাস্টার টাওয়ারের পেছনে নিয়ে হাত-পা বেঁধে একটি একটি ঘরে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন।’
ইসরাত জাহান আঁখি আরও বলেন, ‘ঘটনার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ রয়েছে। অভিযুক্ত আলিফ মোড়ল আমার স্বামীকে ব্যাপক নির্যাতন করে আমাকে মোবাইলে ফোন দেয় এবং অপর প্রান্ত থেকে ‘‘আমাকে বাঁচাও’’ বলার শব্দ শোনা যায়। এ সময় অভিযুক্তরা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরদিন ২৯ মে ভোর ৪টার দিকে এমসি বাজার এলাকায় মুক্তিপণের ২ লাখ টাকা নিয়ে গেলে অভিযুক্ত আলিফ মোড়লসহ দুটি মোটরসাইকেল এসে ২ লাখ টাকা ও মোবাইল ফোনের বক্স ও কাগজপত্র নিয়ে যায়।’
ইসরাত জাহান আঁখি বলেন, ‘এরপরও ওরা স্বামীকে ছাড়েনি। তাদের দাবি করা মুক্তিপণ দিয়েছি। এরপর আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে আমার শ্বশুর আরও ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দিলে ২৯ মে রাত ১০টার দিকে এমসি বাজার এলাকায় একটি নির্জন স্থানে তাঁকে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা আমাদের জানায়। যার কথোপকথন আমাদের মোবাইল ফোনে রেকর্ড রয়েছে।’

ইসরাত জাহান জানান, বিষয়টি স্থানীয় এনসিপির নেতা-কর্মীদের জানানোর পর সংগঠনের শ্রীপুর উপজেলার একটি ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এনসিপির কেউ নন। তাঁরা অপরাধী, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি তাঁদের (এনসিপি) সর্বাত্মক সহযোগিতার কথাও জানানো হয়।

এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত আলিফ মোড়ল তাঁর ফেসবুক পোস্টে অপহরণের কথা স্বীকার করেন। পাশাপাশি দুই দফা মুক্তিপণের ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নিজের মোটরসাইকেলে করে নিয়ে এসেছেন। ১০ হাজার টাকা ভাগ পাওয়ার কথা তুলে ধরেছেন তাঁর ফেসবুক পোস্টে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির উপজেলার আহ্বায়ক প্রার্থী আবু রায়হান মেজবাহ বলেন, তাঁরা কেউ এনসিপির নেতা নয়। পুলিশকে বলা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে। ইতিমধ্যে এনসিপি বিষয়টি পরিষ্কার করেছে।
আবু রায়হান আরও বলেন, তাঁরা ৫ তারিখের পর এসে যোগ দেন। তাঁরা মিছিলের সামনে এসে ছবি তুলে পোস্ট করলেই নেতা হওয়া যায় না। তাঁরা প্রকৃতপক্ষে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ আব্দুল বারিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভুক্তভোগীর স্ত্রী আমার সঙ্গে ফোনে অভিযোগের বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি জরুরি কাজে বাইরে আছি। বিষয়টি আগেই আমার নজরে এসেছে। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ করেনি। বিষয়টির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে